শুরু থেকে দশম আসর পর্যন্ত পিএসএলে খেলোয়াড় দলে ভেড়ানোর একমাত্র পদ্ধতি ছিল ড্রাফট। তবে আসন্ন মৌসুমে সেই ধারায় বড় পরিবর্তন আসছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ড্রাফটের বদলে চালু হচ্ছে নিলাম পদ্ধতি।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে।
তবে শর্ত হলো,একই ক্যাটাগরি থেকে একাধিক খেলোয়াড় রাখা যাবে না। আগের মৌসুমগুলোতে থাকা মেন্টর, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর এবং ‘রাইট টু ম্যাচ’ সুবিধাও এবার পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।
নতুনভাবে যুক্ত হওয়া দলগুলো নিলামের আগে খেলোয়াড় তালিকা থেকে চারজন ক্রিকেটার বাছাই করে রাখার সুযোগ পাবে।
পাশাপাশি, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি আগের আসরে না খেলা একজন বিদেশি খেলোয়াড়কে সরাসরি দলে নিতে পারবে।
নতুন মৌসুমে খেলোয়াড়দের বেতন বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি দলের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ বাজেট ধরা হয়েছে ১৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ কোটি টাকারও বেশি।
এই পরিবর্তনের ফলে নিলামে প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পিএসএলের একাদশ আসর শুরু হবে চলতি বছরের ২৬ মার্চ।
আসন্ন এই মৌসুমের নিলামে নাম নিবন্ধন করেছেন মোট ২৩ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে পিএসএলে স্বাগত জানানো হলেও এখনো তার দল চূড়ান্ত হয়নি। তবে সরাসরি সাইনিংয়ের মাধ্যমে দলে ভেড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে ফিজের।
সর্বশেষ আসরে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলেছিলেন রিশাদ হোসেন, সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। আগের আসরে করাচি কিংসের হয়ে খেলতে গিয়ে চোটের কারণে মাঠে নামতে না পারা লিটন দাসও এবার নাম দিয়েছেন।
পেশোয়ার জালমির স্কোয়াডে থেকেও ম্যাচ না খেলা নাহিদ রানাও তালিকায় আছেন।
এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, হাসান মাহমুদ, তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন ধ্রুবসহ আরও অনেকে নিলামে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
নাম নিবন্ধনের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি, এর আগে তালিকায় আরও নতুন নাম যুক্ত হতে পারে। সর্বশেষ আসরে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ, যিনি লাহোর কালান্দার্সের হয়ে শিরোপা জিতেছিলেন।




