প্রথমনার স্পোর্টস মিডিয়ার সামনে আসা,একটা বক্তব্য,এক কোটি সমালোচনা, ট্রল সামলে উঠতে না পেরে ফেসবুকে এক পোস্ট তা নিয়েই আবারো তুলকালাম।
সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরীর এটিই আসল রুপ নয়! বরং তার মানবিকতায় খুশির অশ্রু আসে অনেকের চোখে।
এমন বক্তব্য শুনলেও তাকে বেশ অহংকারী মনে হবে,তবে পরের অংশতেই তার দাবি,নিজের মায়ের দোয়ার কারনেই আজ কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক তিনি।
সেকথায় পড়ে আসি,তবে সিলেটে যে তিনি বলেছিলেন টাকা পয়সা ব্যাপার না প্রয়োজনে ব্লাংক চেক দিবেন,তা যেন প্রমানই করেছেন তিনি।
প্লে অফের আগেই দলে যুক্ত করেছেন মঈন আলীকে,প্লে অফে খেলবেন আরো দুই ইংলিশ তারকা ক্রিস ওয়াক্স ও স্যাম ব্লিংস।আলোচনা করেছেন আরো বড় বড় তারকাদের সাথেও।
অন্তত টাকা পয়সা যে তার কাছে ব্যাপার নয়,তা তার বক্তব্যের সাথে কাজেও প্রমান করেছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির মুল পরিবার জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ লোক ফাহিম আল চৌধুরী।
তবে নিজেকে রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব নয় সমাজ সেবক বলেই বেশি প্রকাশ করতে চান ফাহিম আল চৌধুরী।
নিজের মায়ের প্রতি ভালবাসা ও তার দোয়ায় অগাধ বিশ্বাস ফাহিমের।
সিলেটের জকিগঞ্জের মৌলভী ছাইর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফাহিম আল চৌধুরী ট্রাস্ট্রের উদ্যাগে দিনব্যাপী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভাতা ও শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেন তিনি।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৭৭৫ জনের হাতে তুলে দেওয়া হয় শিক্ষা বৃত্তি।
এছাড়া প্রথমবারের মত ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালে অবসরে যাওয়া জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার ১৪ জন শিক্ষককে পেনশনের টাকাও প্রদান করা হয়।
সিলেটের জকিগঞ্জ-কানাইঘাট উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ৩৪২টি স্কুলের এসব শিক্ষার্থী ও অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের বৃত্তি ও অবসরভাতা তুলে দেন ট্রাস্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা, শিক্ষানুরাগী ও বিপিএল সিলেট টিমের উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরী।
আর সেই অনুষ্টানের বক্তব্য ভাইরাল হওয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।




