Homeক্রিকেটআইসিসির পক্ষে জয় শাহ ৮ বার কল দিলেও ধরেননি পিসিবি প্রধান নাকভি!

আইসিসির পক্ষে জয় শাহ ৮ বার কল দিলেও ধরেননি পিসিবি প্রধান নাকভি!

- Advertisement -spot_img

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে নাটকীয়তা দিন দিন আরও ঘনীভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, তা এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

পাকিস্তানের গণমাধ্যমের দাবি, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ অন্তত আটবার ফোন করেছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভিকে।

তবে প্রতিবারই সেই ফোনকল উপেক্ষা করেছেন নাকভি। এতে স্পষ্ট বার্তা মিলছে বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তান কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে প্রস্তুত নয়।

এই ফোনকল প্রসঙ্গের পাশাপাশি আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গে বৈঠকের পর পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিষয়ে পাকিস্তানের চূড়ান্ত অবস্থান ৩০ জানুয়ারি কিংবা ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জানানো হবে।

তবে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল জিএনএন দাবি করছে, সেই সিদ্ধান্ত শুক্রবারই ঘোষণা করা হতে পারে, আর সেটি আসতে পারে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে।

এতে বোঝা যাচ্ছে, বিষয়টি কেবল ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন সরাসরি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত।

এদিকে গুঞ্জন উঠেছে, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন।

এমন সফর হলে তা ক্রিকেটের বাইরেও একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক বার্তা বহন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকায় প্রবল চাপে রয়েছে আইসিসি। বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে প্রস্তুত রাখা হলেও, পাকিস্তানের মতো বড় দলের বিকল্প তৈরি করার মতো সময় বা বাস্তব সুযোগ আইসিসির হাতে নেই।

ফলে শেষ মুহূর্তে পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে পুরো টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়েই বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।

কারণ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই দুই দলই বিশ্বকাপে না থাকলে আইসিসির রাজস্ব আয়ে বড় ধাক্কা লাগবে।

সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ এবং দর্শক আগ্রহ সব ক্ষেত্রেই পড়বে নেতিবাচক প্রভাব। একই সঙ্গে প্রশ্নের মুখে পড়বে বিশ্বকাপের গ্রহণযোগ্যতা ও আইসিসির সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা।

তবে পাকিস্তানের সামনে পুরো বিশ্বকাপ বয়কট ছাড়াও কয়েকটি বিকল্প পথ খোলা রয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে শুধু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে নিজেদের সম্ভাব্য জয় বাংলাদেশকে উৎসর্গ করা কিংবা প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামা। শেষ পর্যন্ত কোন পথে হাঁটবে পাকিস্তান,সেই দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here