৩ মাসের প্রতীক্ষা পেরিয়ে ফিরলেন গত ম্যাচে। আর ফিরেই দেখিয়ে দিলেন, কেন তাকে ঘিরে এত অপেক্ষা।
সান্তোসের ৬ গোলের উৎসবে নিজেও নাম লেখালেন, গোল না পেলেও তুলে নেন এক এসিস্ট। এর বাইরে পাসিং, চাঞ্চ ক্রিয়েট, ড্রিবলিংএ দেখা যায় নেইমারের আগের ফর্মকেই।
তবে এবার বদলি নয়, শুরুর একাদশ দিয়েই ফিরবেন নেইমার। পাউলিস্তার পরবর্তী ম্যাচে নেইমারকে শুরুর একাদশে রেখেই নামবে তার ক্লাব সান্তোস। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নভোরিওজন্ত।
এই ক্লাবের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত হারের কীর্তি নেই সান্তোসের। মোট ৬ দেখায় সেখানে ৪ ম্যাচই জয় পায় তারা।
তবে নেইমারকে নিয়ে এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথমবারের মত মাঠে নামছে সান্তোস। এমনিতেই এই দলের সাথে দাপুটে সান্তোস, নেইমারকে নিয়ে তারা থাকবে আরো এগিয়ে।
এর বাইরে ব্রাজিলের দ্বিতীয় বিভাগে খেলে ক্লাবটি। ১ মাস আগে তাদের সাথে সর্বশেষ দেখায়ও জয় পায় সান্তোস। সেখানে নেইমিকে নিয়ে প্রত্যাশাটা থাকবে আরো বেশি।
অপরদিকে দলের জয়ের চেয়েও ব্যাক্তি নেইমারকে ঘিরে প্রত্যাশা থাকবে। মাঠে নেইমার সুলভ পারফর্মেঞ্চ তো চাইবেই ভক্তরা, এর সাথে গোল ও এসিস্টটাও তারা চায় বেশ ভালোভাবেই। নেইমারকে ঘিরে শুধু এই ম্যাচে নয়, প্রত্যাশাটা বিশ্বকাপেও।
যে কারণে নেইমারের সঠিক প্রস্ততির দিকে চেয়ে আছে সবাই। নেইমারকে এমন কিছু করতে হবে, যেটা কার্লোকে বাধ্য করে তার দিকে নজর কাড়তে। এই ব্রাজিলিয়ানকে নিয়েই যেতে বিশ্বকাপে যান কার্লো, সেটার ব্যাবস্থা করার দায়িত্ব থাকবে নেইমারের উপরই
আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি সেখানে নভোরিওজান্তের বিপক্ষে নামবে নেইমারের দল সান্তোস। যেখানে শুরুর একাদশে দেখা যাওয়ার অধিক সম্ভাবনা নেইমারের।
এই ম্যাচ তাই শুধুই তিন পয়েন্টের লড়াই নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ফেরানোর মঞ্চও। নেইমার যদি শুরু থেকেই ছন্দে থাকেন, তবে সান্তোস পেতে পারে টানা জয়ের স্বাদ।
আর ব্যক্তিগতভাবে নেইমারের জন্য এটি হবে বড় বার্তা, তিনি এখনও পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন। মাঠের পারফরম্যান্সই ঠিক করে দেবে, নতুন অধ্যায় কতটা সফল হতে পারেন তিনি।
তবে সতর্কতাও থাকবে। দীর্ঘ ইনজুরির পর টানা ম্যাচ খেলা সহজ নয়। কোচিং স্টাফ চাইবেন তাকে সঠিকভাবে ম্যানেজ করতে। তবুও সমর্থকদের বিশ্বাস, হাসিমুখে ড্রিবল আর নিখুঁত পাসে আবারও ম্যাচ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেবেন নেইমার। এখন চোখ শুধু মাঠের ফুটবলের দিকেই, দেখা যাক ২৩ তারিখ কেমন করেন সাবেক বার্সা সুপারস্টার।




