মুস্তাফিজের অভিষেকের সময় থেকে অভিষেক হয়েছে এমন বোলারদের মধ্যে এতদিন সর্বোচ্চ ফাইফারের অধিকারী ছিলেন আফগান স্পীন ম্যাজিশিয়ান রশিদ খান।ওডিয়াইতে তার ফাইফার ৬ টি।তবে কোনো পেসারের এতো ফাইফার নেই এই সময়ে, নাতো ছয়ের বেশি আছে কোনো বোলারেরই।আজ ফিজ তুলে নিলেন তার ষষ্ট ফাইফার, আর এর ফলেই রেই রেকর্ড এখন তার।শুধু এই সময়ের মধ্যে নয়,ক্রিকেট ইতিহাসেই সর্বোচ্চবার ৫ উইকেট শিকার করা বোলারদের মধ্যে শীর্ষ আটে এখন এই বাংলার জাদুকর।
আজও নিখুঁত লাইন-লেন্থ, বৈচিত্র্যময় কাটার আর স্লোয়ারে পুরো ম্যাচজুড়েই ভোগাতে থাকেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের।
ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানেন মুস্তাফিজ। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে নিকোলসকে ফেরান তিনি। শর্ট লেন্থের একটু বাড়তি গতির বলে পুল করতে গিয়ে টাইমিং মিস করেন নিকোলস। বল লেগে উপরের দিকে উঠে গেলে উইকেটকিপার লিটন দাস সহজ ক্যাচ নেন। ১০ বলে ৪ রান করে বিদায় নেন এই ব্যাটার।
এরপর মাঝের ওভারে যখন ইনিংস গড়ার চেষ্টা করছিলেন নিক কেলি, তখন আবারও ফিজের আঘাত। অফ স্টাম্পের বাইরের ধীরগতির লেন্থ বলে শট খেলতে গিয়ে মিসটাইম করেন কেলি। এক্সট্রা কভারে তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচটি লুফে নেন। ৮০ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি।
তৃতীয় শিকার হিসেবে নাথান স্মিথকে ফেরান মুস্তাফিজ। স্লোয়ার বাউন্সার লেন্থের বলে টপ এজ হয়ে বল মিড-উইকেটে উঠে যায়। সেখানে দারুণ ডাইভ দিয়ে চমৎকার ক্যাচ নেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। ৪ বলে ২ রান করে ফেরেন স্মিথ।
এরপর নিজের চতুর্থ উইকেটটি তুলে নেন জেইডেন লেনক্সকে আউট করে। ধীরগতির শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে বল সোজা শর্ট মিড-উইকেটে উঠে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা তাওহিদ হৃদয় সহজ ক্যাচ নেন। ৭ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন লেনক্স।
শেষ পর্যন্ত পঞ্চম উইকেটটি আসে উইলিয়াম ও’রুর্কেকে বোল্ড করে। ফুল লেন্থের সোজা বল খেলতে গিয়ে বাইরের এজ মিস করেন তিনি, আর বল সরাসরি আঘাত হানে স্টাম্পে। ৫ বলে ১ রান করে বিদায় নেন এই টেইলএন্ডার।
পুরো ইনিংস জুড়েই মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিং, সঠিক সময়ে উইকেট তুলে নেওয়া এবং ব্যাটারদের ভুল করতে বাধ্য করার ক্ষমতা ছিল চোখে পড়ার মতো। একাই ৫ উইকেট শিকার করে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন এই বাঁহাতি পেসার।




