এক দশক আগে আসেন লিভারপুলে। রোমা থেকে তাকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থে কিনে নেয় লিভারপুল।
এরপর তার প্রতিদানও দেন যথার্থ। লিভারপুলের হয়ে জয় করেন একাধিক প্রিমিয়ার লীগ, এমনকি ঘরে আসে চ্যাম্পিয়নস লীগের শিরোপাও।
লিভারপুলের হয়ে জয় করেন মোট ১০ শিরোপা, অপুর্ণ নেই কোনটাই। একাধিকবার হন বছরের সেরা গোলরক্ষক, মার্কেটের সর্বোচ্চ দামের গোলরক্ষকও থাকেন। হয়ে যান লিভারপুলের অবিচ্ছেদ্য এক অংশ
তবে সবকিছুর যেন শেষ আছে। সেই শেষের দিন এবার গুণছেন এলিসন বেকার। কেননা এই মৌসুম শেষেই ক্লাব ছাড়ছেন এই ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক। সেখানে একাধিক গণমাধ্যমের মতে, ইতালির ক্লাব জুভেন্তাসের সাথে তার হয়ে গেছে মৌখিক চুক্তিও।
আগে থেকে তার প্রতি আগ্রহী ছিল একাধিক ইতালিয়ান ক্লাব। ইন্টার মিলান ও জুভেন্তাস সেখানে ছিল এগিয়ে। আর এর মাঝেই জুভেন্তাসকে বেছে নেন এলিসন। দুই পক্ষের মাঝে হয় আলোচনাও।
লিভারপুলের সাথে এই বছর পর্যন্ত চুক্তি আছে এলিসনের। নতুন করে চুক্তি আর না বাড়ানোর আলাপ হয়েছে দুই পক্ষের। ফলে এই মৌসুম শেষেই এক্সিটের পথ খুজছিলেন এলিসন। আর সেখানেই প্রস্তাব এলো জুভেন্তাসের থেকে।
ধারণা করা হচ্ছে এই ডিলে লিভারপুলকেও হেলদি ট্রান্সফার ফি দিবে জুভেন্তাস, যার অঙ্কটা দাড়াতে পারে ১৫ মিলিয়ন ইউরো বা ২০০ কোটি টাকার অধিক। একইসাথে এলিসনের সাথে করতে পারে ৩ বছরের চুক্তি। চুক্তিতে বছরে ৫ মিলিয়ন করে ধরা হয়েছে বেতন। অর্থ্যাৎ এই বয়সেও এলিসনকে নিয়ে চাহিদা কম নয় জুভেন্তাসের।
গোলরক্ষক পজিশনে এক মৌসুম আগে মামারদাসভিলাকে নেয় লিভারপুল। এলিসনের ইঞ্জুরিতে তিনিই সামলান দলের দায়িত্ব। এছাড়া ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই আনা হয়েছে জর্জিয়ান এই গোলরক্ষককে। এই মৌসুমে অনেকটা বেঞ্চে কাটানো মামারদাশভিলাকে আগামী থেকে সুযোগ দিতে চায় ক্লাবটি। আর সেখানেই এক্সিট হচ্ছে এলিসনের।
অবশ্য ৩৩ এসেও যেন সেরা ক্লাবেই যাচ্ছেন এলিসন। সিরিআ তে নাম্বার চারে আছে জুভেন্তাস, নিয়মিত খেলছে চ্যাম্পিয়নস লীগ। মাঝের ক্ষরা থেকে কাটিয়ে নিয়মিত থাকছে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেসে। আর সে কারণেই এবার এলিসনকে এনে বাড়াচ্ছে দলের শক্তি।
তবে ট্রান্সফারের আগে এবার বিশ্বকাপেই নজর দিতে চাইবেন এই গোলরক্ষক, কেননা আসরে ব্রাজিলের সেরা পছন্দ তিনি। বিশ্বকাপে সুখস্মৃতি নিয়েই ক্লাব বদল হোক এলিসনের, এটাই চাওয়া সেলেসাও ভক্তদের।




