ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে এটাই সম্ভাব্য শেষ মৌসুম তার। এমনকি ইউরোপও ছাড়তে পারেন এই বছর শেষে।
ধারণা করা হচ্ছে মৌসুম শেষে সৌদি লীগে হতে পারে ক্যাসিমিরোর ঠিকানা। কিন্ত যে পারফর্মেঞ্চ করছেন, তাতে যেন ইউনাইটেড দিনে দিনে ভক্তদের আফসোসটাই বাড়িয়ে যাচ্ছেন ক্যাসে।
প্রিমিয়ার লীগে ক্যাসিমিরো যেভাবে পারফর্ম করছেন, মনে হচ্ছে বয়সটা যেন কমছে তার।
ব্রেন্টফোর্টের বিপক্ষে ইউনাইটেডের জয় ২-১ ব্যাবধানে। যে জয়ে পয়েন্ট তালিকার তিনে এসে চ্যাম্পিয়নস লীগে খেলার দৌড়ে মাইকেল ক্যারিকের দল। আর সেই ইউনাইটেডেরই এবার ভরসার নাম ক্যাসিমিরো
ব্রেন্টফোর্টের বিপক্ষে ১১ মিনিটে আদায় করেন গোল। সেট পিস থেকে ডিবক্সে বল পেয়ে করেন হেডার।৷
যেটা ছিল ম্যাচের প্রথম গোল, যে গোলে শুরুতে লিড পেয়ে ম্যাচের কন্ট্রোল পায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
পরবর্তীতে ব্রেন্টফোর্ট এক গোল দিলেও ক্যাসের গোলটাই গড়ে দেয় ব্যাবধান, তাতে ২-১ গোলে জয় পায় রেড ডেভিলরা।
তবে গোলের চাইতেও যেন অনেক বড় কিছু করেছেন এদিন। পুরো ম্যাচে ক্যাসিমিরো জিতেছেন মোট ১০ ট্যাকেল।
সব মিলিয়ে ডুয়েলস জয় করেছেন মোট ১৫ বার। পুরো ম্যাচের পরিসংখ্যান প্রমাণ করে কতটা অপ্রতিরোধ্য ছিলেন তিনি।
পুরো ম্যাচে ১০ ট্যাকেল করেন ক্যাসিমিরো, ৯ বার করেন ক্লিয়ারেন্স, ১ বার করেন ব্লক। ১৩ বারের মাঝে ১২ বারই জয় করেন গ্রাউন্ড ডুয়েলস।
৬০ ভাগ হারে ৩ বার জয় করেন এরিয়াল ডুয়েলস। ম্যাচে ৪১ টি পাস দেন, ৭ বার বল দেন ফাইনাল থার্ডে। ২ বার ইন্টারসেপশন ও ৩ বার রিকভারিও করেন। এসব পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, শেষ ম্যাচে কতটা দাপুটে ছিলেন তিনি।
লীগে ৭৫ লং বল, ৩২ চাঞ্চ ক্রিয়েশন। ডুয়েলস জয় করেছেন সব মিলিয়ে ২০৭ বার। ৮৪ ট্যাকেল, ২৮ ইন্টারসেপশন, ২৫ ব্লক, ১৩১ রিকভারি ও ৬৯ ক্লিয়ারেন্স। সব পরিসংখ্যানেই দাপট তার।
তবে এর সাথে লীগে করেছেন ১১ গোল এসিস্ট। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হয়েও করেছেন ৯ গোল।
অথচ এই ক্যাসিমিরোকে বলা হয়েছিল তিনি গেছেন ফুরিয়ে, বড় লীগে খেলার যোগ্য নয়। ক্যাসে যেন প্রমাণ করলেন, স্কিল আর অভিজ্ঞতা বাজারে কিনতে পারা কোন খেলনা না।
যে কারণে কার্লোর জহুরী চোখ রত্ন চিনতে করেনি ভুল। যে রত্ন আগামীতে ব্রাজিল দলকে এনে দেক বিশ্বকাপ, এটাই চাওয়া সেলেসাও ভক্তদের।




