অডিয়াই সিরিজে জয়, এরপর টি২০ সিরিজের শুরুর ম্যাচ জয়। এই মুহুর্তে কিউইদের বিপক্ষে বেশ ছন্দে আছে বাংলাদেশ দল৷
বিশেষ করে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৮০ এর উর্দ্ধ লক্ষ্য বাংলাদেশ চেজ করেছে দুই অভার হাতে রেখেই।
যে কারণে আগামীকাল ফুরফুরে মেজাজে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
আর সেখানেই দলে আসতে পারে পরিবর্তন। বিশেষ করে পেস আক্রমণে সুযোগ পেতে পারেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা আব্দুল গফফার সাকলাইন।
টিম কম্বিনেশনের কারণে একাদশে বাহাতি পেসার হিসেবে শরীফুল থাকবেন।
এর বাইরে শুরুতে শরীফুলের মত বল করতে পারেননা দলের বাকি কোন পেসার। তাই সাকলাইনের প্রতিযোগিতা বাকি পেসারদের সাথেই।
শেষ ম্যাচে ৪ অভারে ৪০ রান হজম করেছেন তানজিম সাকিব। অপরদিকে রিপন মন্ডল দিয়েছেন ৩৯ রান।
যদিও কিছুটা খরুচে ছিলেন তারা, তবে পিচের জন্য এই রানকে বড় আকারে দেখার নেই সুযোগ। সেক্ষেত্রেও এদের একজনের বদলে সুযোগ আসবে সাকলাইনের। কেননা ঘরের মাঠে এই খেলোয়াড়কে বাজিয়ে দেখতে চাইবে বাংলাদেশ দল।
তানজিম সাকিব অভিজ্ঞ পেসার এই লাইনআপে। আবার অনেকদিন পর ফিরেছেন জাতীয় দলে।
সেক্ষেত্রে ইঞ্জুরি কাটিয়ে আসা সাকিবের রিদমে ফিরতে লাগবে সময়। অপরদিকে মাত্রই জাতীয় দলে ডাক পেলেন রিপন।
এই সময় এক ম্যাচ খেলে রিদমকে বসিয়ে দেওয়া কার্যকরী সিদ্ধান্ত হবেনা। আবার সাকলাইনকে জাতীয় দলে ডেকে পরীক্ষা না করাও হবে ভুল
যেহেতু শুরুতে শেখ মাহেদীকে দেখা যায় পাওয়ারপ্লেতে, সেক্ষেত্রে এই মুহুর্তে পেস বোলিংএ বাংলাদেশের দরকার মিডল অভার্স ও ডেথের জন্য বোলার।
আবার রিপন মন্ডল মাত্র এক ম্যাচ সুযোগ দিয়েছেন, তিনি আছেন রিদমে। সেক্ষেত্রে তাকে আরো এক ম্যাচ অন্তত দেখা উচিত।
আগামী দিনে ডেথের জন্য তিনি হতে পারেন দারুণ কার্যকর। সব হিসেবে তাই তানজিম সাকিবের বদলেই একাদশে আসতে পারেন আব্দুল গফফার সাকলাইন।
কেননা মিড অভার্সে বল, ডেথে স্লোয়ার ডেলিভারি ও শেষদিকে ব্যাটিং এর জন্য সাকিবকে রিপ্লেস করতে পারবেন তিনি।
তবে কন্ডিশন, কম্বিনেশনের কারণে আবার অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েও আগামীকাল মাঠে নামতে পারে বাংলাদেশ দল।
কোন কিছুই বাংলাদেশের জন্য নয় চুড়ান্ত। যদি সাকলাইন শেষ পর্যন্ত সুযোগ পান একাদশে, সেক্ষেত্রে সাকিবের বদলেই সুযোগের দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন এই পেসার।




