পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া টেষ্ট ম্যাচে শেষ ইনিংসে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। এর আগে নাহিদ দাপট দেখিয়েছেন পিএসএলে, ছিলেন দলের অন্যতম সেরা পারফর্মার।
তবে এইসব কিছুর বাইরেও নাহিদের আরো এক পারফর্মেঞ্চ এসেছে আইসিসির নজরে। আর তার বিনিময়ে আইসিসির কাছ থেকে পুরষ্কার পেলেন এই ক্রিকেটার।
গত মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অডিয়াই সিরিজ খেলে বাংলাদেশ দল। যেখানে ৩ ম্যাচ সিরিজে ২-১ এ জয় পায় বাংলাদেশ।
টাইগারদের হয়ে সে সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং করেন রানা। ৩ ম্যাচের সিরিজে রানা করেন ৩০ অভার।
সেখানে ২ মেইডেন সহ স্বীকার করেন মোট ৮ উইকেট। বিশেষ করে সিরিজের শেষ ম্যাচে ফাইভার তুলে কিউইদের ব্যাটিং অর্ডার গুড়িয়ে দেন। কিউই ব্যাটসম্যানরাও স্বীকার করেন নির্দ্ধিধায়, নাহিদকে খেলা কতটা কঠিন ছিল।
আর সেখানেই আইসিসির থেকে পুরষ্কার মেলে নাহিদের। যে কারণে আইসিসির এপ্রিল মাসের সেরা খেলোয়াড়ের পুরষ্কার পেলেন নাহিদ।
এক বছর পর কোন বাংলাদেশীর হাতে গেলো এই পুরষ্কার। সর্বশেষ গত বছর এপ্রিলে মেহেদী হাসান মিরাজ হন আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়। এক বছর পর ভক্তদের সাথে সাথে রানা আইসিসি থেকেও পেলেন যোগ্য স্বীকৃতি।
পুরষ্কার পেয়ে উচ্ছাসের কথাও জানান রানা। আগামী দিনে দলের হয়ে আরো জয়ে অবদান রাখতে পারার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।
এ নিয়ে আইসিসিকে রানা বলেন “ “নিউজিল্যান্ডের মতো বিশ্বমানের একটি দলের বিপক্ষে ভালো খেলতে পেরে এবং আইসিসি প্লেয়ার অব দ্য মান্থ নির্বাচিত হওয়াটা সত্যিই অসাধারণ অনুভূতির।নিজেদের মাঠে এমন পারফরম্যান্স করতে পারায় সিরিজটি আমার কাছে আরও বেশি বিশেষ হয়ে উঠেছে।
এই সিরিজের স্মৃতি আমি আজীবন মনে রাখব।পুরো সময়জুড়ে আমার ওপর আস্থা রাখা এবং পাশে থাকার জন্য সতীর্থদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।আমি আশা করি, সামনেও দলের হয়ে আরও অনেক জয় এবং স্মরণীয় মুহূর্ত এনে দিতে পারব।”
তবে রানাকে নিয়ে প্রত্যাশার পারদটা বড়। এর মাঝে রানা সম্ভাবনা দেখিয়েছেন, বাংলাদেশকে নিয়ে আলাদা করে ভাবতে বাধ্য করেছেন।
আন্তজার্তিক অঙ্গনে বাংলাদেশ পেস দেখিয়ে ভয় দেখাতে পারে, রানা সেটাও জানান দিয়েছেন। এবার নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পালা। সেখানে রানা আগামী দিনে অনুসরণ করুক শোয়েব- টেইটদের পদাঙ্গ, হোক তাদের মত বড় তারকা, এটাই চাওয়া ক্রিকেট ভক্তদের।




