আর্জেন্টিনা দলে একটা সময় ছিলেন না নিয়মিত। আবার দলে আসলেও সময় কাটত বেঞ্চেই। ভাবা হচ্ছিল জাতীয় দলে স্থায়ী হতে সময় দরকার হবে ভ্যালেন্টাইন বার্কোর। তবে যে পারফর্মেঞ্চ বার্কো দিচ্ছেন, তাতে যেন সেই সময়টা এলো দ্রুতই।
হন্ডুরাসের বিপক্ষে আরো একবার জ্বলে উঠলেন এই মিডফিল্ডার। ফুলব্যাক ও মাঝমাঠ দুই জায়গায় খেলতে পারেন বার্কো।
তবে কোচ স্কালোনি এদিন মাঝমাঠে নামালেন বার্কোকে। সেটাও আবার রদ্রিগো ডি পলকে বসিয়ে। সেটাই যেন কাজে লাগালেন বার্কো তার পারফর্মেঞ্চ দিয়ে।
এক সময় বা হত যেখানে বল সেখানেই ডি পল। এবার সেই উপাধিটা নিজের করে নিলেন বার্কো।
ডিফেন্স থেকে এট্যাক, বার্কো ছুটে চলেছেন বিরামহীনভাবে। কখনও নেমে ট্যাকেল করেছেন, আবার কখনও খেলেছেন পাস। ম্যাচে তার পরিশ্রম ছিল চোখে লেগে থাকার মত।
হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রথমার্থে সর্বোচ্চ টাচ করা খেলোয়াড়ের নাম বার্কো। ৯২ ভাগ হারে ৪৫ মিনিটেই দিয়েছেন সর্বোচ্চ ৪৯ পাস।
বার্কো একদিকে যেমন ৪ বার রিকভারি, ১ বার ট্যাকেল ও ১ বার ইন্টারসেপশন করেছেন। আবার অন্যদিকে ফাইনাল থার্ডে বল পাঠিয়েছেন ৯ বার, চাঞ্চ ক্রিয়েট করেছেন ১ বার। হন্ডুরাসের বিপক্ষে মনে রাখার মত পারফর্মেঞ্চের তালিকায় যে বার্কো থাকবেন, তাতে নেই সন্দেহ।
বার্কোর এই পারফর্মেঞ্চ বিশ্বকাপে কাজে লাগাতে চাইবেন লিওনেল স্কালোনি। ২০২২ বিশ্বকাপে দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ডি পল।
তবে এমএলএসে খেলা ডি পলের নেই আগের মত ফর্ম ও ক্ষিপ্রতা। তাই ডিফেন্সিভ মিড নিয়ে ভক্তদের আশঙ্কার জায়গা ছিল। তবে বার্কো সেই আশঙ্কাই যেন ঘোচানোর চেষ্টা করছে।
লীগে এই মৌসুমে ৬ গোল এসিস্ট, জাতীয় দলে আসার আগেই অবশ্য বার্কো নজর কাড়েন পারফর্মেঞ্চ দিয়ে।
আবার একাধিক পজিশনে খেলার দক্ষতা তার জায়গা নিশ্চিত করে বিশ্বকাপে। সেখান থেকে মুল একাদশে চলে আসলেও হবেনা অবাক করার মত।
গত বিশ্বকাপে স্কালোনির দলে সুযোগ পেয়ে এলিস্টার, এঞ্জোরা করেন বাজিমাত। এবার সেই কাজটা যদি করতে পারেন বার্কো, তবে আবারো ইতিহাস লেখবে আর্জেন্টিনা দল। আর সেটা সুখকর হবে আর্জেন্টাইন ভক্তদের জন্যই।




