গত মৌসুমে আর্সেনালের হয়ে জিতেছেন লীগ শিরোপা, ২৪ বছর পর দলকে এনে দেন অধরা শিরোপা।
চ্যাম্পিয়নস লীগের শিরোপা জয়েরও ছিলেন কাছাকাছি। ভক্তদের কাছে পেয়েছিলেন বিগ গাবি ট্যাগ।
একইসাথে স্পোর্টস ইল্লুস্ট্রেটর কাছ থেকেও স্বীকৃতি পেলেন ব্রাজিলিয়ান গ্যাব্রিয়েল মেঘালাস। স্পোর্টস ইল্লুস্ট্রেটরের মতে, ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা ডিফেন্ডার হয়েই বিশ্বকাপে নামবেন এই ব্রাজিলিয়ান।
শক্তি, আগ্রাসন, নেতৃত্ব এবং এরিয়ালে আধিপত্য, সব মিলিয়ে তিনি এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা সেন্টার ব্যাক। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্বপ্নে তার ভূমিকা হতে পারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবের মত জাতীয় দলেও বিগ গাবির থেকে একই পারফর্মেঞ্চ চায় ভক্তরা।
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শুরুর ম্যাচে প্রতিপক্ষ মরোক্কো। আর তাদের আশরাফ হাকিমিকে তালিকার দুইয়ে রেখেছে এসআই।
বর্তানে বিশ্বের সেরা রাইট ব্যাকদের একজন হাকিমি। ডান প্রান্তে তার ফরোয়ার্ড রান, গতি এবং আক্রমণে অংশ নেওয়ার ক্ষমতার জন্য তাকে রাখা হয়েছে তালিকার উপরের দিকে। ক্লাবের হয়ে টানা চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় করা হাকিমিকে নিয়ে বিশ্বকাপেও স্বপ্ন থাকবে ভক্তদের।
গ্যাব্রিয়েলের ক্লাব সতীর্থ সালিবাকে রাখা হয়েছে তালিকার তিনে। ফ্রাঞ্চের এই তারকাকে বলা হয়েছে আত্মবিশ্বাস, গতি এবং বুদ্ধিমত্তার দারুণ মিশেল।
বল পায়ে তিনি যেমন স্বচ্ছন্দবোধ করেন , আবার তেমনি রক্ষণেও এই আর্সেনাল তারকা অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য। এমবাপ্পে, অলিসদের পিছনে ভালোই সাহস জোগাবেন এই সালিবা।
পর্তুগালের ড়িফেন্স ও অফেন্সের দানব নুনো মেন্ডেসকে রাখা হয়েছে তালিকার চারে।
বর্তমান ফুটবলের আদর্শ আক্রমণাত্মক ফুলব্যাকদের একজন নুনো মেন্দেস। তার গতি এবং ড্রিবলিং প্রতিপক্ষকে ভোগায়।
সুযোগ পেলেই বাম দিক দিয়ে উঠে গিয়ে আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করেন। এছাড়া বড় বড় উইঙ্গারদেরও মাথাব্যাথার কারণ হতে পারেন নুনো।
ব্রাজিলিয়ান আরেক তারকা মার্কুইনহস আছেন চারে। সময় যত যাচ্ছে, মারকিনিওস যেন আরও পরিণত হচ্ছেন। বড় ম্যাচে শান্ত থাকা তার সবচেয়ে বড় গুণ। একইসাথে পাসিং ও নেতৃত্ব তাকে এনেছে সেরাদের কাতারে। বিশ্বকাপে সেরার থেকে সেরাটাই চাইবে তার ভক্তরা।
এসআই এর চোখে নাম্বার ছয়ে ডাচ ভার্জিল ভ্যান ডাইক। আগের মতো গতিশীল না হলেও এখনও এই ডাচ ডিফেন্ডারের নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা এবং উপস্থিতি প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তার পরে নাম্বার সাতে আছেন ইকুয়েডরের উইলিয়াম পাচো।
এখনও অনেকের কাছে তিনি আড়ালে থাকা এক তারকা। কিন্তু মাঠে তার পারফরম্যান্স ভিন্ন কথা বলে। শক্তি, গতি আর ঠান্ডা মাথার খেলায় পাচো বিশ্বের সেরাদের কাতারে জায়গা করে নিয়েছেন।
আর্সেনালের জুরিয়ান টিম্বারকে নাম্বার আটে রেখেছে এসআই। সেন্টার ব্যাক ও ফুলব্যাক দুই জায়গায় খেলতে পারেন।
শারীরিক ভাবে শক্তিশালী ও বল পায়ে দারুণ তাই খেলোয়াড়কে বেছে নিয়েছে এই ওয়েবসাইটটি। এমনকি সেখানে বাধা হতে পারেনি তার ইঞ্জুরিও।
চোট তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় বাধা। তবে ফিট থাকলে রিস জেমসের মতো পূর্ণাঙ্গ ফুলব্যাক খুব কমই আছে। রক্ষণ, আক্রমণ, ক্রস কিংবা ফ্রি-কিক সব জায়গাতেই সমান কার্যকর তিনি। তালিকার নয়ে আছেন এই ইংলিশ তারকা।
তালিকার দশে অবস্থা পর্তুগিজ রুবেন দিয়াসের। আগের মতো অপ্রতিরোধ্য না হলেও রুবেন দিয়াস এখনও বিশ্বমানের ডিফেন্ডার।
গেম রিডিং এর ক্ষমতা, সঠিক সময়ে ট্যাকল করা এবং রক্ষণভাগকে নেতৃত্ব দেওয়াই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। মিড ও আক্রমণ নিয়ে আলোচনায় থাকা পর্তুগালের ডিফেন্সের ভরসাযোগ্য নাম এই দিয়াসই।
২০২৬ বিশ্বকাপে আক্রমণভাগের তারকাদের পাশাপাশি নজর থাকবে এই ডিফেন্ডারদের দিকেও।
বিশেষ করে সেলেসাও ভক্তরা চেয়ে থাকবেন মেঘালাস ও মার্কুইনহসের দিকে। দলের শেষ ভরসা হিসেবে তাদের কাঁধেই থাকবে প্রতিপক্ষকে থামানোর দায়িত্ব।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে কারা নিজেদের সেরা রূপ দেখাতে পারেন, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।




