কথায় আছে প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করেনা। কেউ না কেউ অভাব পুরণ করেই দেয়। কাগজে কলমে এনহেল ডি মারিয়ার ক্ষেত্রেও এমনটাই হলো।
বছরের পর বছর যে ১১ নাম্বার জার্সি পড়ে খেলেছেন, সেই জার্সি আজ পড়ছেন অন্য কেউ। জাতীয় দলে আলমাদা, সিমিওনেদের দিয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে তার অভাব পুরণের। সাথে থাকা জার্সি নাম্বারটা নিয়ে গেছেন লো সেলসো। ডি মারিয়া যেন জাতীয় দলে কোথাও নেই।
তবে ডি মারিয়া হারিয়েও যেতে চাননা সহজে। ভক্তদের ভালোবাসায় ডি মারিয়া আছেন বহুদিন। এবার একইসাথে আর্জেন্টিনা দলের পাশেও দাড়ালেন তিনি। একইসাথে আসলেন ১১ নাম্বার জার্সি নিয়েই।
দীর্ঘদিন আর্জেন্টিনার এগারো নম্বর জার্সি ছিলেন ডি মারিয়া। আলভিসেলেস্তাদের হয়ে খেলেছেন ১৪৫ ম্যাচ, করেছেন ৩১ গোল।
বিশ্বকাপ ফাইনাল ও কোপা আমেরিকার ফাইনালের মত আসরে আছে গোল করার রেকর্ড। আর্জেন্টাইনদের কাছে ডি মারিয়া যেন আলাদা এক নাম।
তবে জাতীয় দলে বর্তমানে নেই এই তারকা। ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের পর অবসর নেন জাতীয় দলের হয়ে। এরপর তাকে সম্মানসুচক ১১ নাম্বার জার্সি তুলে দেয় আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের জন্য তাকে দেওয়া হয় এক জার্সি।।এবার সেই জার্সি নিয়েই আসলেন ডি মারিয়া। যে জার্সি একদিকে নিজে পড়ে থাকেন। আবার জার্সির ডি মারিয়া ১১ লেখা অংশটা তুলে ধরেন সবার সামনে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই জার্সি ধরে নিজের ছবি পোষ্ট করেন এনহেল। সেখানেই একইসাথে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন রুপেও তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া ২০২২ এর পর আর্জেন্টিনা যাতে ২০২৬ সালেও করতে পারে ইতিহাস, এমনটাই প্রত্যাশা করেন সাবেক বেনফিকা সুপারস্টার।
নিজের করা পোষ্টে ডি মারিয়া লেখেন “ আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়নস অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড। ওয়ান্স এগেইন আর্জেন্টিনা “। অর্থ্যাৎ যার বাংলা দ্বারায় আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। আরো একবার আর্জেন্টিনা।
২০২২ সালে কাতারে ইতিহাস গড়া দলটি ২০২৬ সালেও যেন বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষে থাকে, সেটাই তার প্রত্যাশা। মাঠে আর আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখা না গেলেও হৃদয়ে তিনি এখনো নীল-সাদা রঙেরই সৈনিক। তাই অবসরের পরও দলের প্রতি ভালোবাসা, সমর্থন আর আবেগে কোনো ঘাটতি নেই ডি মারিয়ার। ভক্তদের কাছে তাই তিনি শুধু একজন ফুটবলার নন, বরং আর্জেন্টিনার সোনালি যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়ক। আর সেই নায়কের ও আর্জেন্টাইন ভক্তদের চাওয়া মিলিত হয়েছে এক সুত্রে, আরো একবার আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়।




