২০০২ বিশ্বকাপে ১২ গোল করেন ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও। সব আসর মিলিয়ে বিশ্বকাপে তখন ১৫ গোলের রেকর্ড থাকে এই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারের।
এক যুগ পর তার রেকর্ড ভাঙেন জার্মান মিরোস্লাভ ক্লোসা, বিশ্বকাপ শেষ করেন ১৬ গোল নিয়ে। তার এক যুগ পর এবার ক্লোসার রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হ্যাট্রিক করে এবার ক্লোসাকে ছুয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।
বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসির গোল ১৬টি, যা তাকে রেখেছে ক্লোসার সাথে শীর্ষে। একইসাথে তালিকায় আরেক হট নাম কিলিয়ান এমবাপ্পেকেও টপকে গেছেন মেসি। এককভাবে শীর্ষে উঠার হাতছানি খুব শীঘ্রিই আছে মেসির সামনে
২০০৬ সালে শুরু। এরপর মেসি খেলছেন মোট ৬ বিশ্বকাপ। ২০২৬ সালে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গোল করে মেসি করেছেন পাচ বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড।
মেসি বাদে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আছে এই রেকর্ড। তালিকায় রোনালদোকে ছুলেন মেসি।
এককভাবেই বর্তমানে আর্জেন্টিনার হয়ে দুটি রেকর্ডের মালিক মেসি। ২০১০ সালে মার্টিনে পালেরমো যখন গ্রিসের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন, তখন তার বয়স ছিল ৩৬ বছর ২২৭ দিন।
এতদিন সেটাই ছিল আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ বয়সে বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড। তবে ৩৮ বছর বয়সে এসে বিশ্বকাপে গোল করে একজন ভেঙেছেন সেই রেকর্ড। তার নাম লিওনেল মেসি
দুই দশক আগে সার্বিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপে গোল অভিযান শুরু মেসির। তখন তার বয়স ছিল ১৮ বছর।
এত কম বছর বয়সেও আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে গোল করেননি আর কেউ। আবার তার মত বেশি বয়সেও আকাশী নীল জার্সিতে নেই কারো গোল। দুই রেকর্ডেই মেসি ছাড়িয়ে গেলেন সবাইকে।
মেসি রেকর্ড গড়েছেন আরো একটি। বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে শুরুতে বক্সের বাইরে থেকে গোল করেন মেসি।
আর তাতে ছুয়ে যান ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনহোর এক রেকর্ড। বিশ্বকাপে বক্সের বাইরে থেকে পঞ্চম গোল করে যৌথভাবে থাকেন সর্বোচ্চ। এরপর ৬৮ মিনিটে আবারো বক্সের বাইরে থেকে গোল।
সেখানে বিশ্বকাপে বক্সের বাইরে থেকে ষষ্ঠ গোল করে এককভাবে এই রেকর্ডে থাকেন এক নাম্বারে।
আলজেরিয়া বিপক্ষে গোলের পর ধারাভাষ্যকার বলেন, “ইটস হিম, লিওনেল মেসি”। মেসির বিশেষণে আমাদের তাই একটা কথাই বলতে হবে, এটা লিওনেল মেসি।
ফুটবলে তিনি যাই করতে চান, সেটাই করার ক্ষমতা আছে তার। তাই তো তিনি মাঠে নামলে নিয়মিতই নতুন করে লেখা হয় রেকর্ডবুক।




