ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘সি’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্যের বার্তা দিল ব্রাজিল।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই গোল করে সেলেসাওদের এগিয়ে দেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।
প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের মারাত্মক ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে টুর্নামেন্টে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য বেশ আত্মবিশ্বাসীভাবেই করেছিল স্কটল্যান্ড। প্রথম কয়েক মিনিট বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণ গড়ে তোলার চেষ্টা করে ইউরোপের দলটি।
তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ব্রাজিল। বিশেষ করে বাম প্রান্তে ভিনিসিয়াসের গতিময়তা ও রায়ানের উচ্চ প্রেসিং স্কটিশ রক্ষণকে চাপে ফেলে দেয়।
সেই চাপ থেকেই আসে ম্যাচের প্রথম গোল। সপ্তম মিনিটে গোলকিক থেকে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করছিল স্কটল্যান্ড।
গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের পাস পেয়ে ডিফেন্ডার স্কট ম্যাককেনা বলটি আবার ফিরিয়ে দিতে গেলে মাঝপথে চাপ সৃষ্টি করেন ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান। তার চাপে বলের দিক পরিবর্তন হয়ে চলে যায় ভিনিসিয়াস জুনিয়রের কাছে।
সুযোগ বুঝে দ্রুত বল নিয়ন্ত্রণে নেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। এরপর গোলরক্ষককে কাটিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে।
ম্যাচের প্রথম অন-টার্গেট শট থেকেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
চলতি বিশ্বকাপে এটি ভিনিসিয়াসের তৃতীয় গোল। একই সঙ্গে টানা তিন ম্যাচে গোল করার কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
ক্রমেই ব্রাজিল আক্রমণের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অস্ত্রে পরিণত হচ্ছেন এই ২৫ বছর বয়সী তারকা। তার গতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা এবং গোল করার সামর্থ্য প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।
গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। কাসেমিরোর নেতৃত্বে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে দক্ষিণ আমেরিকার জায়ান্টরা। অন্যদিকে, শুরুতে ইতিবাচক ফুটবল খেললেও একটি ভুলের মূল্য দিয়ে দ্রুতই চাপে পড়ে যায় স্কটল্যান্ড।
কিছুক্ষন পর আবারও স্কটিসদের ভুলে গোল পেয়ে যায় ভিনি,তবে এই দফায় ফাউল করায় গোল বঞ্চিত হন ভিনি।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই লড়াইয়ে প্রথম আঘাত হেনে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।




