নরওয়ের বিপক্ষে মেটালাইফ স্টেডিয়ামে শেষটা করেছিলেন গোল দিয়ে। এরপর জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষে নামেন ক্লাবের হয়ে। আর সেখানেও নেইমার থাকেন পুরোনো রুপেই। বিশ্বকাপ থেকে ফিরে নেইমারের গোল দিতে সময় লাগে ৩৬ মিনিট। তার জোড়া গোলেই শাপকোয়েন্সের বিপক্ষে পয়েন্ট আদায় করে সান্তোস
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে আলভারো বারেলের সাথে ওয়ান টু খেলেন নেইমার। এরপর সেখান থেকেই ডিবক্সের ভিতর তাকে বল বাড়িয়ে দেন বারেল। একাধিক ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে তাদের মাঝ দিয়েই সেখানেই গোল আদায় করেন নেইমার জুনিয়ার, আর সেখানেই এগিয়ে যায় সান্তোস দল।
এরপর যদিও দুই গোল হজম করে সান্তোস। একটা সময় মনে হচ্ছিল এই ম্যাচ হেরে যাবে নেইমারের দল। তবে সেখান থেকে দলের ত্রাতা হন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। ৮৯ মিনিটে নেইমারের গোলেই রক্ষা পায় সান্তোস। এবার পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে ফেরান সমতায়। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয় ফাইনাল স্কোর।
গোল ছাড়াও ম্যাচের সর্বোচ্চ শট করেন নেইমার, পুরো ম্যাচে করেন ৯ শট। এমনকি অপোজিশন বক্সে ১৯ টাচ থাকে নেইমারের, যাও ম্যাচে সর্বোচ্চ। এমনকি পুরো ম্যাচে সর্বোচ্চ ১০৫ বার বলে টাচ করেন নেইমার জুনিয়ার। ২ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন, ৩ বার শট হয় ব্লকড। ১০ বার ফাইনাল থার্ডে পাস ও ২ বার করেন সফল ড্রিবলিং। পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়ে পান ম্যাচসেরার পুরষ্কার।
অথচ এই নেইমারকে একবারও শুরুর একাদশে নামাননি কার্লো আনচেলত্তি। এমনকি এক ম্যাচে নেইমারকে বসিয়েও রাখেন ব্রাজিল দলের কোচ। নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের একমাত্র গোলটা করেন এই নেইমার জুনিয়ারই। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নেইমারকে সুযোগ দেওয়া হয় বদলি হিসেবে। নেইমার জুনিয়ারকে যেন পেয়েও অবহেলা ছিল এই কোচের।
তবে নেইমার হাল ছাড়েননি। এখনও যে ফুরিয়ে যাননি, তার প্রমাণ দেখাচ্ছেন। যদি নতুন করে বড় ইঞ্জুরি না হয়, তবে এই নেইমার এখনও ভয়ঙ্কর। এই নেইমার এখনও খেলতে পারবেন আরো কয়েক বছর, পারফর্ম করতে পারলে ২০৩০ বিশ্বকাপেও জানান দিতে পারবেন নিজেকে। নেইমিকে নিয়ে এটাই প্রত্যাশা ভক্তদের।




