দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকলেও নেতৃত্বের মঞ্চে আবারও ফিরছেন বাংলাদেশের ইতিহাসের সফল অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
ইতোমধ্যে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ ১৬ সদস্যের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করেছে এবং আগামীকালই মাঠে নামবে সাকিবের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন সাবেক অলরাউন্ডার অলক কাপালি। উইকেটরক্ষকের ভূমিকায় থাকবেন ধীমান দাস।
এছাড়া দলে জায়গা পেয়েছেন শফিউল ইসলাম, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, সাকলাইন সজীবসহ আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। ফলে অভিজ্ঞতা ও তারকাসমৃদ্ধ একটি দল নিয়েই শিরোপার লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ।
বিশেষ করে শফিউল ইসলামের উপস্থিতি অনেকের জন্যই স্মৃতির দুয়ার খুলে দিয়েছে। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক জুটি এখনও বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
চলতি বছরের শুরুতে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও লিজেন্ডস লিগে আবারও মাঠে দেখা যাবে এই পেসারকে।
এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নিচ্ছে এশিয়ান স্টারস, ইন্ডিয়ান রয়্যালস, পাকিস্তান প্যান্থারস, আফগানিস্তান পাঠানস এবং শ্রীলঙ্কান লায়ন্স। ফলে টুর্নামেন্টটি পরিণত হতে যাচ্ছে এশিয়ার সাবেক তারকা ক্রিকেটারদের এক মিলনমেলায়।
পাকিস্তান প্যান্থারসের হয়ে খেলবেন মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক ও ইমরান নাজিরের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা।
শ্রীলঙ্কান লায়ন্সের জার্সিতে দেখা যাবে তিলকরত্নে দিলশান, থিসারা পেরেরা ও কুমার সাঙ্গাকারাকে। অন্যদিকে ভারতের দলে রয়েছেন শিখর ধাওয়ান, দীনেশ কার্তিক ও হরভজন সিংয়ের মতো সাবেক তারকারা। আফগানিস্তান পাঠানসকে নেতৃত্ব দেবেন আসগর আফগান।
২০২৪ সালের পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি সাকিবকে। একই সঙ্গে তিনি খেলতে পারেননি বিপিএল কিংবা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও।
তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার চাহিদা কমেনি। গত কয়েক বছরে তিনি সিপিএল, পিএসএল, টি-টেনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলেছেন।
বর্তমানে তিনি শ্রীলঙ্কার লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে জাফনা কিংসের হয়ে খেলছেন। এবার এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশের নেতৃত্ব পেয়ে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছেন সাকিব।




