এই প্রজন্মের আর্জেন্টাইন ভক্তদের কাছে লিওনেল মেসি এক আবেগের নাম। তবে ৮০ দশকের মানুষ আর্জেন্টিনাকে ভালোবেসেছে এক নামের জন্য।
তিনি ডিয়োগা ম্যারাডোনা। বর্তমানে লিওনেল মেসি সব জায়গায় সর্বসেরা। তবে ম্যারাডোনা ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। আর সেটা কতটা ধারালো ছিলেন, তা বুঝা যায় তাকে বিশ্বকাপে করা ফাউলের সংখ্যায়।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ পরিমাণ ফাউল করা হয়েছে এই ম্যারাডোনাকেই। এমনকি তালিকায় তিন নাম্বারে থাকা ব্যাক্তিকে করা হয়েছে তার প্রায় ৩ ভাগের এক ভাগ ফাউল।
এমনকি লিওনেল মেসির মত খেলোয়াড় ফাউলে বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার চেয়ে ৪০ ভাগ কম ফাউলের স্বীকার হয়েছেন ৬ বিশ্বকাপ খেলেও।
ম্যারাডোনাকে ফাউল করে থামাতে হয়েছে বারবার। একই চিত্র ঘটেছে মেসির ক্ষেত্রেও। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ফাউল করা হয় এই দুই খেলোয়াড়কে। সেখানে তাদের কাছাকাছিও নেই অন্য কারো সংখ্যা। এমনকি এই তালিকার সেরা ছয়ে আছে আরো এক আর্জেন্টাইন এর নাম।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৫২ বার ফাউল করা হয় ডিয়াগো ম্যারাডোনাকে। আর কোন খেলোয়াড়কে ১৫০ দূরে থাক, ১০০ ফাউল করাও হয়নি।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফাউলেও আবার আরেক আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৯৫ বার বিশ্বকাপে ফাউল করা হয় মেসিকে৷ তালিকায় সেরা সাতে থাকা বাকিদের চেয়ে যোজন আগানো এই দুইজনের উপর করা ফাউলের পরিমাণ।
তালিকার তিনে আছেন ব্রাজিলের সাবেক তারকা জার্জিনহো। ৮১ বছর বয়সী এই রাইট উইঙ্গার ব্রাজিলের হয়ে জিতেছেন বিশ্বকাপ।
এছাড়া তালিকার পাচে আছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান নেইমার জুনিয়ার। নেইমার এই প্রজন্মে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকার নাম।
একাধিক ফাউলের স্বীকার হয়ে ইঞ্জুরিতে কেটেছে তার ক্যারিয়ার। বিশ্বকাপে জার্জিনহোকে ফাউল করা হয় ৬৪ বার, ৬১ বার ফাউল করা হয় ব্রাজিলের নেইমিকে ।
এই দুইয়ের মাঝখানে আছেন মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। রোনালদোকে ৬৩ বার ফাউল করা হয়েছে বিশ্বকাপের মঞ্চে। ৬ বার বিশ্বকাপ খেলে এত ফাউলের স্বীকার হন তিনি৷ তবে তালিকার ছয়ে আছেন আরো এক আর্জেন্টাইন ।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ফাউলে ৬ নাম্বারে আছে এরিয়াল অর্তেগার নাম৷ এল বুরিরিতো নামক সাবেক আর্জেন্টাইন ১৯৯৮ সালে ছিলেন দলের নাম্বার টেন। এছাড়া টানা তিন বিশ্বকাপ খেলেন দলের হয়ে, জাতীয় দলে খেলেন ৮৮ ম্যাচ। তাকে করা হয়েছে মোট ৫৭ ফাউল।
সব মিলিয়ে আর্জেন্টাইনদের তারকা খেলোয়াড়দের থামাতে ফাউলই ছিল প্রতিপক্ষের বড় অস্ত্র। আর সেটা ফুটে উঠে এই পরিসংখ্যানেই।




