জাতীয় দল যাচ্ছে অষ্ট্রেলিয়া সফরে, খেলবে ঐতিহাসিক টেষ্ট। আবার টপ এন্ড টি২০ সিরিজের জন্যও দল ঘোষণা করা হয়েছে।
আছে ইমার্জিং দলও, যাদের রয়েছে মালেশিয়ার সাথে সিরিজ। সব মিলিয়ে একাধিক দল ঘোষণা বিসিবির।
এর মাঝে সুযোগ পেয়েছেন অনেকে, যারা নিয়মিত খেলেন না দেশের শীর্ষ লীগেও। কিন্ত এতগুলো দলের মাঝে কোথাও নেই আকবর আলীর নাম।
অথচ এই আকবর দ্যা গ্রেট বাংলাদেশকে জিতিয়ে আনে ক্রিকেটের বৈশ্বিক আসরে একমাত্র শিরোপা।
শুধু একবারই বৈশ্বিক কোন স্পোর্টসে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ দল, আর সেই আসরে দলের অধিনায়ক ছিলেন আকবর। এমনকি ফাইনালে আকবরের হিরোয়িক ইনিংস মনে আছে সবার।
তবে অনেকে যুক্তি দিয়ে বলতে পারেন, ঐ এক ম্যাচের জোড়ে আর কত। এতদিন তো কম সুযোগ দেওয়া হয়নি আকবরকে, সে তো জাতীয় দলে আসতে পারেনি।
অথচ তার সতীর্থরা দেশের সাথে কাপাচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজী লীগও। সেখানে আকবর তো কম সুযোগ পায়নি জাতীয় দলে আসার। এই প্রশ্ন তারা জুড়ে দিতেই পারেন।
আকবরকে সুযোগ দেওয়ার মত পারফর্মেঞ্চ আকবর করেছেন বলেই এইবার আলোচনাটা জোড় পাচ্ছে।
গত ডিপিএলে ৯ ম্যাচে ২১৭ রান করা আকবর ব্যাটিং করেছেন ১২০ স্ট্রাইক রেটে, ছিল একাধিক ক্যামিও ইনিংস। অথচ দেশের ক্রিকেটে অডিয়াই ফরম্যাটে নেই একজন ফিনিশার, যিনি ব্যাট করতে পারেন শেষের দিকে।
সর্বশেষ এনসিএলের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এই আকবর আলী। একে থাকা অমিত হাসান খেলছেন জাতীয় দলে, প্রীতম কুমার দুইয়ে থেকে আছেন রাডারে। অথচ ১২১ রান করে আকবর নেই কোন আলোচনায়। এর আগে গত এনসিএল টি২০ তে ভালো করেছেন আকবর, বিপিএলেও দেখিয়েছেন ঝলক। এমনকি এ দলের হয়েও আকবরের আছে কিছু ভালো ইনিংস।
আকবরের অধিনায়কত্ব এর সাথে টপ নচ। উইকেটের পিছন থেকে যেসব আসরে নেতৃত্ব দিয়েছেন, দল ভালো করেছে।
এই আকবরকে নিয়ে আরো একাধিক আসরের ফাইনাল খেলে বাংলাদেশ, একটুর জন্য শিরোপা বঞ্চিত হলেও দারুণ খেলার প্রদর্শনীই দেখা যায় বাংলাদেশের থেকে। অথচ আকবরের নাম নেই কোথাও এখন।
যদি জাতীয় দলের বিবেচনায় না থাকেন আকবর, তবে কোন দলে তার নাম না থাকা তার প্রতি অবিচার।
সেটা তার ২০২০ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নয়, বর্তমান পারফর্মেঞ্চের জন্যই। দেশের ভক্তরা চাইবেনা আকবরের মত নাম যাতে হারিয়ে না যায়। কারণ ক্রিকেট পাইপলাইনের এই সংকটে আকবরদের খুব জরুরি দেশের জন্য।




