টানা দ্বিতীয় বারের মত বিশ্বকাপ ফাইনালে। তবে ২০২২ সালের মত আসরের ফাইনালটা নিজেদের করতে পারেনি আর্জেন্টিনা দল।
কাতারের রুপকথা আনতে পারেনি আমেরিকার মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, যেখানে স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ হারায় তারা।
তবে এমন হারের পরও আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মানছেন তাদের দেশের ফুটবল সভাপতি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়কেই বিশ্বকাপ জয়ের সমান বলছেন তিনি।
আর্জেন্টিনার স্পন্সর ইভেন্টের এক প্রোগ্রামে এমনটাই বলেন তাদের ফুটবল প্রধান ক্লাদিও তাপিয়া।
আর্জেন্টিনার শীর্ষ গণমাধ্যম মুন্ডো আলভিসেলেস্তায় আসে এমন সংবাদ। সেখানে তাপিয়ে নিয়ে আসেন ফকল্যান্ড ইস্যুকেও। আর সেখানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়টাকেই বিশ্বকাপ জয়ের সমান বলেন তাপিয়া।
তাপিয়ার মতে বিশ্বকাপে এবার এমন কিছু হয়েছে যা হয়নি অনেকদিন ধরে। খেলাধুলার বাইরে ফকল্যান্ড বা মালভিনাসের সেই সৈনিকদের কীর্তি তুলে ধরেন তাপিয়া। একইসাথে মালভিনাসকে বৈশ্বিক দাবি হিসেবে তুলে ধরার বিষয়টিও আনেন তিনি।
আর্জেন্টিনা দলেরও ভুয়সী প্রশংসা করেন তাপিয়া। বিশ্বকাপের ফাইনালে আসা ও ৩ টি ম্যাচ ১২০ মিনিট খেলার ব্যাপারটি তুলে ধরেন তাপিয়া।
একইসাথে সাম্প্রতিক সময়ে আর্জেন্টিনার ৫ ফাইনাল খেলে ৪ শিরোপার বিষয়টিও আসে আর্জেন্টিনার বোর্ড প্রেসিডেন্টের উক্তিতে।
এ নিয়ে তাপিয়া বলেন “ আমরা বিশ্বকাপ জিতেছি যখন আমরা ইংল্যান্ডকে হারিয়েছি।
এই জাতীয় দল এমন কিছু করেছে যা অনেকদিন যাবত সম্ভব হয়নি। খেলোয়াড়ি দিকের বাইরে মালভিনাস ও এর সাথের সৈনিকদের তুলে ধরেছে তারা। তারা বিশ্বকাপে মালভিনাসকে তুলে ধরেছে ও আবারো বৈশ্বিক ইভেন্টে আনতে পেরেছে”
তাপিয়া আরো বলেন “ প্রকৃতির আচরণের বাইরে, কিছু ফ্যাক্টের বাইরে আমাদের জাতীয় দল ৩ ম্যাচে ১২০ মিনিট ফুটবল খেলেছে তাদের হৃদয় দিয়ে। আমি আর্জেন্টাইনদের চিনি, আমরা ইংল্যান্ডে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছি “
এছাড়া এই আর্জেন্টাইন দলের সেরা সময় নিয়ে তাপিয়া বলেন “ পাচ ফাইনাল খেলা ও চারবার জয় করা।
আমার মতে এটাই সেরা আর্জেন্টিনা দল যা আমরা পেয়েছি। আমরা এই খেলোয়াড়দের নিয়ে অসম্ভব গর্ব করি। তারা আমাদের পতাকা সর্বোচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরেছে”
সব মিলিয়ে জাতীয় দল ও আর্জেন্টিনা দলের সাফল্যও উঠে এসেছে তাপিয়ার বক্তব্যে। তবে তার বক্তব্য আবারো তুলে আনবে যে ফকল্যান্ড ইস্যু, তাতে নেই সন্দেহ।
কেননা বিশ্বকাপের চেয়েও ইংল্যান্ডের সাথে জয় এবং ফকল্যান্ডকে আবারো তুলে ধরাকে বড় আকারে দেখেন আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট। এবার দেখা যাক, তার কথার জল গড়ায় কতদুর।




