ইউরোপের শীর্ষ লিগে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়ার পর অনেক তারকাই ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ের জন্য পাড়ি জমাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে।
আর সেই তারকাদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণের নাম এখন ইন্টার মায়ামি। লিওনেল মেসির আগমনের পর থেকেই ক্লাবটি যেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
এবার ক্যাসেমিরোর পর বেলজিয়ান সুপারস্টার কেভিন ডি ব্রুইনাকেও দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা করছে ক্লাবটি।

বর্তমানে ইন্টার মায়ামির আক্রমণভাগে রয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী এবং সর্বাধিক ব্যালন ডি’অর জয়ী লিওনেল মেসি। তাঁর সঙ্গে আছেন দীর্ঘদিনের সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ।
সম্প্রতি দলে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো, যিনি রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। মাঝমাঠে তাঁর উপস্থিতিতে দলটির ভারসাম্য আরও বেড়েছে।
এবার আলোচনায় উঠে এসেছে কেভিন ডি ব্রুইনার নাম। ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে একটি মৌসুম কাটানোর পর এই গ্রীষ্মেই তিনি নতুন ঠিকানার সন্ধান করতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।
প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে না পারায় নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে আগ্রহী হতে পারেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই প্লেমেকার।
ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ নিকোলো স্কিরার দাবি, ২০২৫ সালের জুন মাসের শুরুতেই ইন্টার মায়ামি ও সান দিয়েগো এফসি ডি ব্রুইনার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিল।
দুই ক্লাবের সঙ্গেই তাঁর আলোচনা হয়েছিল, তবে সে সময় তিনি উভয় প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেন। তখন ধারণা করা হয়েছিল, দীর্ঘ সময় ইউরোপেই ক্যারিয়ার চালিয়ে যেতে চান তিনি।
তবে পরিস্থিতি এখন ভিন্ন। নতুন করে ডি ব্রুইনাকে দলে টানতে মাঠে নেমেছে ইন্টার মায়ামি। ক্লাবটির লক্ষ্য, মেসি, সুয়ারেজ, কাসেমিরো ও রদ্রিগো দে পলের সঙ্গে ডি ব্রুইনাকে যুক্ত করে এমন একটি দল গঠন করা, যা কেবল এমএলএস নয়, বিশ্ব ফুটবলেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।
যদিও শিকাগো ফায়ার ও সান দিয়েগো এফসিও এখনো এই বেলজিয়ান তারকাকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, ইন্টার মায়ামি হবে অভিজ্ঞ বিশ্বতারকাদের এক স্বপ্নের ঠিকানা। মেসিকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই দল তখন শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, কাগজে-কলমে ইউরোপের অনেক শক্তিশালী ক্লাবের সঙ্গেও তুলনা করার মতো একটি স্কোয়াডে পরিণত হবে তা বলাই যায়।




