দ্যা হান্ড্রেডে খেলার কথা ছিল প্রথমবারের মত। জুড বেলিংহামের মত তারকাদের সান্নিধ্যও পেতে পারতেন কাছ থেকে।
তবে সুযোগ পেয়েও সেটা হয়নি ভাগ্যের জন্য। তা নিয়ে মুস্তাফিজের কোন আফসোস নেই। আফসোস নেই কারণ তিনি জানেন, পরিশ্রম করলে আফসোস করতে হয়না। সফলতা এমনেই আসে বারবার, আসে সুযোগও।
সেই সুযোগটাই আবার এলো ফিজের। কোটি টাকায় হান্ড্রেড মিস করেছেন, আবার কোটি টাকায় সুযোগ পেয়েছেন আইএলটি২০তে।
নতুন আসরের জন্য দুবাই ক্যাপিটালসে সুযোগ পাচ্ছেন ফিজ। গত আসরে পারফর্ম করা ফিজ যেন ছিল ক্যাপিটালস এর সোনার হরিণ।
সেই সোনার হরিণকে আরো একবার ধরে রাখলো তারা।
গত আসরে ৮ ম্যাচেই ১৫ উইকেট পান ফিজ, এভারেজ থাকে মাত্র ১৫, ইকোনমিও থাকে দারুণ।
আসরের সেরা পাচ সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় থাকেন, সুযোগ পেলে হয়ত সেরাদের সেরাই হতেন। যে কারণে স্টোনিস, পাওয়েল, নুর আহমেদের মত তারকাদের সাথে রেখে দেওয়া হয়েছে ফিজকে।
ফিজের পারফর্মেঞ্চে মুগ্ধ হয়ে তাকে ধরে রেখেছে দুবাই ক্যাপিটালস। অপরদিকে ইংল্যান্ডে এক বাংলাদেশীর পারফর্মেঞ্চে মুগ্ধ হয়ে আরো একজনকে ডেকেছে কাউন্টি ক্লাব।
এই সিজনে কাউন্টিতে যোগ দেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। কাউন্টির হয়ে তার আছে ম্যাচ উইনিং বোলিং। অডিয়াই বা টেষ্ট, যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন, মেলে ধরেছেন নিজেকে।
সেই হাসানের পারফর্মেঞ্চে মুগ্ধ হয়ে এবার বাংলাদেশ থেকে আরো এক পেসার নিচ্ছে কাউন্টি ক্লাব কেন্ট।
মৌসুমের জন্য তারা ডেকে নিচ্ছে বাংলাদেশের বাহাতি পেসার শরীফুল ইসলামকে। এর আগে শুধুমাত্র লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগ খেলা হয়েছিল শরীফুলের। সেখান থেকে কাউন্টির মত জায়গায় সুযোগ পাওয়া বড় কিছু তার জন্য।
যদি সব ঠিকঠাক থাকে, ইংল্যান্ডে সেপ্টেম্বরে মাতাতে যাবেন শরীফুল। বাকিটা নির্ভর করবে তার ফিটনেস ও বোর্ডের এনওসি এর উপর।
সব মিলিয়েই বাইরের লীগে চলছে বাংলাদেশীদের দাপট। কিছুদিন আগে এলপিএলে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী খেলেছেন, ফাইনালেও ছিলেন মোট ৩ বাংলাদেশী।
নুরুল হাসান সোহান প্রথমবার বাইরের লীগের ক্লাবে খেলে করেছেন শিরোপা অর্জন। এছাড়া এমএলএস, পিএসএল, এসএ বা বিগল ব্যাশ, সবখানেই ডাক আসছে বাংলাদেশীদের।
ব্যাতিক্রম হলোনা ইংল্যান্ড বা দুবাইয়েও। পারফর্মেন্সের ধারা বজায় রেখে এই সুযোগ আরো নিয়মিত হোক বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের, এটাই চাওয়া ভক্তদের।




