সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের হট টপিক ভারত সফর। এমনিতেই ভারত বাংলাদেশ ইস্যু কয়েক বছর ধরেই আছে উত্তেজনার শীর্ষে।
সাম্প্রতিক সময়ে সেই উত্তেজনা বেড়েছে আরো। ক্রিকেটের বাইরে দুই দেশের কুটনৈতিক দ্বৈরথও প্রভাব ফেলেছে সেখানে। আর যার ফলে আরো একবার স্থগিত হতে যাচ্ছে সিরিজ।
এফটিপির সুচি অনুসারে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে হওয়ার কথা ছিল সিরিজ। তবে জানুয়ারিতে ফিজ ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক অবনতি হলে স্থগিত হয় সেই সিরিজ।
এরপর বাংলাদেশের নতুন করে তৈরি হয় বোর্ড, দুই দেশের বোর্ডের সম্পর্ক হয় গভীর। সেখানে নতুন করে সিরিজটির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়। সবকিছু চলছিল স্বাভাবিকভাবেই।
তবে এবার দুই দেশের কুটনৈতিক অবস্থা ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা আবারো বাধা হয়ে আসে। যে কারণে শোনা যাচ্ছে এই মুহুর্তে আবারো স্থগিত হতে পারে এই সম্ভাব্য সিরিজ। আর এই সিরিজের বদলে বিসিবির সামনে আছে একাধিক বিকল্প।
যদি এই মুহুর্তে সিরিজ না হয়, তবে ডিসেম্বরে আয়োজিত হতে পারে এই সিরিজ।
সেক্ষেত্রে যদি এই সময়ের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন হয়, উত্তপ্ত পরিস্থিতি যদি ঠান্ডা হয় তবে এই সময়ে আয়োজিত হতে পারে এই সিরিজ। কিন্ত এখানেও একটা যদি কিন্ত আছে।
এই বছর বিপিএলের জন্য ডিসেম্বর জানুয়ারির সময়টা বেছে নিয়েছে বিসিবি। সবদিক বিবেচনা করে যদি বিপিএল হয়ও, তবে সেটা হবে এই সময়ের মধ্যেই। অন্য লীগের সাথেও এই সময়টাই হবে কম সাংঘর্ষিক। আর সেই আসর নিয়ে আশাবাদীও ভক্তরা।
কিন্ত যদি ডিসেম্বরে ভারত সফর করে বাংলাদেশে, তবে বিপিএলকে করতে হবে স্থগিত। এই মুহুর্তে নতুন করে আশা জাগানিয়া বিপিএল স্থগিত করা সহজ সিদ্ধান্ত হবেনা বিসিবির জন্য। আর সেটা বিসিবিকে ফেলবে চিন্তায়।
অপরদিকে যদি এই সময়েও সিরিজ আয়োজন না করা যায়, পরবর্তী এফটিপিতে সেটা যুক্ত করার আলোচনা দুই পক্ষের।
সে ক্ষেত্রে চাপ হয়ত কমবে বাংলাদেশের। কিন্ত বিশ্বকাপের আগে আগে ভারতের সাথে সিরিজ খেলার চেয়ে সাধারণ সময়ে সিরিজ খেলার মুল্য থাকবেনা এক। সেটাও ভেবে দেখতে হবে বাংলাদেশকে।
সবকিছু মিলিয়েই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে তামিম ইকবালের বিসিবিকে। ভারত বাংলাদেশের এই এক সফরের উপরই নানাদিকে ঝুলে আছে আগামীদিনে বাংলাদেশের ক্রিকেট ভাগ্য। দেখা যাক, সেখানে কি করে বাংলাদেশ দল।




