ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টে দাপুটে জয়ের পর সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার দারুণ সুযোগ এখন নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে।
তবে দ্বিতীয় টেস্টের আগে মাঠের লড়াইয়ের বাইরে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ভোগান্তির মুখে পড়তে হলো বাংলাদেশ দলকে।
ডারউইন থেকে ম্যাকাইয়ের যাত্রায় ফ্লাইট বিলম্বের কারণে মাত্র ছয় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে বাংলাদেশ দলের সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা।
ভোর সাড়ে পাঁচটায় ডারউইনের টিম হোটেল থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় দল। সকাল সাতটার ফ্লাইটে ম্যাকাইয়ের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় অনেক দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছায় তারা।
ম্যাকাই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে হোটেলে যেতে আরও প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর ভ্রমণের ধকল সামলাতে হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের।
তবে এই ভোগান্তি নিয়ে দলের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানিয়েছেন, দীর্ঘ ভ্রমণের পরও দলের সবাই ভালো আছেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নয় উইকেটের ঐতিহাসিক জয় তুলে নেওয়ার পর দ্বিতীয় টেস্টেও আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ।
আগামী ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। এই ম্যাচেই টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হবে স্টেডিয়ামটির।
ডারউইনে হেরে যাওয়ায় সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের বিকল্প নেই প্যাট কামিন্সদের সামনে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দল এখন অনেকটাই নির্ভার।
দ্বিতীয় টেস্টে হার এড়াতে পারলেই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়বে শান্তর দল।
তবে দীর্ঘ ভ্রমণের ধকল কাটিয়ে দ্রুতই নিজেদের প্রস্তুত করে নিতে হবে বাংলাদেশকে। কারণ ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়া যে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া, সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না।
তবে বাংলাদেশে আতিথিয়েতায় মুগ্ধ হওয়া অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের মতো টাইগার প্রতিনিধিরাও যদি ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা পেতো তবে হয়তো সমালোচনা থেকে কিছুটা হলেও বাচতে পারতো অস্ট্রেলিয়া।




