ভিনি এমবাপ্পে জুটি নিয়ে একসময় প্রত্যাশার পারদ ছিল উচু। তবে দলে এসে দেখা যায় উলটো চিত্র।
২ মৌসুম রিয়াল মাদ্রিদে থাকলেও বড় শিরোপার দেখা পাননি এমবাপ্পে। নিজে পারফর্ম করলেও জুটি হিসেবে জ্বলে উঠতে পারেননি সেভাবে, উলটো উঠে বিভাজনের ইঙ্গিত। যার ফলশ্রুতিতে একটা সময় ভিনিসিয়াসের ক্লাব ছাড়াও হয়ে যায় সময়ের দাবি।
তবে নয়া কোচ মরিনহোর অধীনে যেন হচ্ছে সব সমস্যার সমাধান। মরিনহো নিজে থেকে আটছেন ভিনিসিয়াসের ক্লাব ত্যাগ।
একইসাথে তাকে নিয়ে দিয়েছেন সব প্রশ্নের জবাব। তার প্রতিফলন দেখা গেলো মাঠের ফুটবলেই।
মৌসুমের দ্বিতীয় ম্যাচেই দেখা গেলো রিয়াল মাদ্রিদের আসল রুপ। নেপথ্যের কারিগর ব্রাজিলিয়ান ভিনি ও ফ্রাঞ্চের এমবাপ্পে।
এদিন ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়াদাদকে চার গোল দেয় রিয়াল মাদ্রিদ। যেখানে গোল ও এসিস্ট আসে ভিনিসিয়াসের পা থেকে।
অপরদিকে হ্যাট্রিক আদায় করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুইজনের রসায়ন এদিন ছিল দেখার মত। বিশেষ করে এমবাপ্পেকে গোলের জন্য ভিনিসিয়াস যে বল বাড়িয়ে দিয়েছেন, সেই মুহুর্ত গুলোই ছিল ভক্তদের চরম আকাঙ্খিত।
৮৪ মিনিট খেলে গোল এসিস্ট ছাড়াও একাধিক চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন ভিনিসিয়াস। অপরদিকে গোলক্ষুধা এদিন ছিল এমবাপ্পের মাঝে।
যে কারণে দুর্দান্ত সব ফিনিশিংএ করতে থাকেন একের পর এক গোল। পুরো ম্যাচে বক্সে সর্বোচ্চ টাচ ও শট করা খেলোয়াড় এমবাপ্পে। আর ভিনিসিয়াস ছিলেন কমপ্লিট এক উইঙ্গার।
এক অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায় ভিনিসিয়াস ও এমবাপ্পে একইসাথে চলে যান বামদিকে। তবে এদিন এরকম কমই দেখা গিয়েছে।
উলটো দুইজনই অবস্থা বুঝে নিজেদেরকে রোটেশন করিয়েছেন। আবার নিজের গোলের জন্য স্কিলে না ছুটে ভিনিসিয়াসও দলের জন্য খেলেছেন। সব মিলিয়ে এই দুইয়ের জাদু মুগ্ধ করেছে সবাইকে।
মৌসুমের শুরুর ম্যাচে ভালো না করলেও ভিনি ফিরতে এক ম্যাচও নেননি। জাতীয় দলে কার্লো আর ক্লাবে মরিনহোর মত কোচ পাচ্ছেন ভিনিসিয়াস।
দুই কোচের অধীনে নিজেকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পালা ভিনির। অপরদিকে এমবাপ্পের সুযোগ নিজের খারাপ ভাগ্যকে বদল করা।
তার জন্য যেমন ব্যাক্তিগত সাফল্য প্রয়োজন, আবার প্রয়োজন দলের বন্ডিংও। নতুন মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে যেন সেটাই দেখা যাচ্ছে। যা একদিকে রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের তো আনন্দ দেবেই, ব্রাজিলিয়ানদের জন্যও এমন কিছু দারুণ বার্তা।




