২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর হবে সবচেয়ে বড় আসর। যেখানে অংশ নেবে ২০টি দেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের দশটি স্টেডিয়ামে মোট ৫৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই আসরে।
ক্রিকেটের এই ছোট সংস্করণে এবার নিজেদের জায়গা পোক্ত করলো নেপাল। বাছাইপর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে তারা বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করলো।
শুক্রবার মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (Mulpani Cricket Ground) এশিয়া বাছাইপর্বের সেমিফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নেপাল। টসে জিতে মুলপানির কঠিন পিচে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। অধিনায়ক মুহাম্মদ ওয়াসেম দারুণ ব্যাটিং করলেও দ্রুত দুটি উইকেট নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় নেপাল। এরপর বৃত্য অরবিন্দ একপ্রান্তে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও উইকেটের পতন অব্যাহত ছিল, কারণ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যাটসম্যানদের ওপর নেপালের স্পিনাররা আধিপত্য বিস্তার করে যা এমন ধীর পিচে তাঁদের এগোতে দেয়নি। কুশল মল্লা তিন ওভারে তিনটি উইকেট নিয়ে বোলারদের মধ্যে সেরা ছিলেন।
সন্দীপ লামিচানেও বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন এবং চার ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন। অরবিন্দ অবশ্য ৬৪ রান করেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ১৩৪ রান তোলে।
জবাবে নেপালের শুরুটা ছিল ইতিবাচক। শুরুতেই ওপেনার কুশল ভুর্তেলকে হারানোর পরও গুলশান ঝার সঙ্গে অ্যাঙ্করের ভূমিকা পালন করেন আসিফ শেখ। শেখ ৬৫ রান করেন এবং রোহিত পৌডেলের ২০ বলে ৩৩ রান করে খেলা শেষ করে আসেন।
এই জয়ে ২০১৪ সালের পর প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার ১০ বছর পর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নেপাল।
স্বাগতিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। এছাড়া আরও ১০টি দেশ সরাসরি অংশ নিতে পারবে এ আসরে। দলগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ। বাকি দলগুলোকে আঞ্চলিক বাছাইপর্ব খেলে আসতে হবে। নেপাল ছাড়া পাপুয়া নিউ গিনি, কানাডা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে। এছাড়া আমেরিকার একটি দেশের জন্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার দুটি করে দেশের জন্য এখনও বাছাইপর্বও চলছে।




