দরজায় কড়া নাড়ছে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বেশ ভাল করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশও। শ্রীলঙ্কার পর এবার কয়েকদিন পর জিম্বাবুয়ের সাথে ৫ ম্যাচের টুয়েন্টি সিরিজ খেলবে টাইগাররা। বিশ্বকাপের আগে আছে আরো কিছু ম্যাচ। তবে বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় কারা আছে, কেমন হতে পারে একাদশ তা নিয়েই বড় প্রশ্ন ক্রিকেটপ্রেমিদের মনে।
যেখানে ওপেনার হিসেবে বর্তমানে ৩ ওপেনার আছেন এগিয়ে। সোম্য লিটনের সাথে টুয়েন্টি দলেও এখন বড় দাবিদার তরুন তানজিদ তামিম। ওয়ানডে বিশ্বকাপ দিয়ে বড় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতাও হয়েছে তার। লিটন ফর্মে না থাকায় অলরাউন্ডার সৌম্য সরকারের সাথে তানজিদ তামিমকে বিশ্বকাপে ওপেনিংয়ে দেখলে আশ্চর্য হবার কিছুই থাকবেনা। একাদশের তিন নম্বর পজিশনে দেখা যাবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। এই পজিশনে এখন নিয়মিত খেলেন তিনি। মোটামুটি ধারাবাহিকও বলা চলে । তাই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে হলে অধিনায়ক হিসেবে ভালো কিছু উপহার দিতে হবে শান্তকে।
শান্তর পর ব্যাটিং অর্ডারে আসবে সাকিব আল হাসানের নাম। অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকলেও, এবার তার কাঁধে নেই সেই চাপ। ফলে তার কাছ থেকে বাড়তি কিছু চাইবে সমর্থকরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খুব ভালো নয় তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স। এছাড়া, মিডল অর্ডারে বড় দায়িত্ব থাকবে সিনিয়র ক্যাস্পেইনার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তরুন তাওহীদ হৃদয়ের উপর। রিয়াদ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সেরা টি টোয়েন্টি ব্যাটার। তাছাড়া, পাওয়ার হিটিংয়ে অন্য সবার চাইতে আলাদা তিনি। সেক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞ ব্যাটারকে বড় কিছু করতে হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে। তার সাথে বড় দায়িত্ব সামলাবেন তাওহীদ হৃদয়ও। যিনি কি-না বর্তমানে বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসার নামও। পাশাপাশি টি টোয়েন্টিতে তার পাওয়ার হিটিং এব্যিলিটিও মনোমুগ্ধকর।
চমক হিসেবে ফিনিশিংয়ে থাকবেন জাকের আলি অনিক ও রিশাদ হোসেন। জাতীয় দলে লম্বা ক্যারিয়ার না হলেও, এই সময়ের মধ্যে কেন তারা উপযুক্ত টি টোয়েন্টি ব্যাটার তা প্রমান করে দিয়েছেন। পাশাপাশি, রিশাদের লেগ স্পিনটাও বড় ভূমিকা রাখবে সেখানে। আর পেস ইউনিটে তাসকিন ও শরিফুলের সাথে থাকবে মোস্তাফিজের নাম। তিন জনই বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। তাই তাদেরও বড় দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে।তবে ফিনিশিংয়ের জন্য ব্যাটার বাড়াতে চাইলে, কিংবা এই তিন বোলারের কেও পরিকল্পনা থেকে বাদ পরলে, তানজিম সাকিব আর সাইফুদ্দীন থাকবেন একাদশে প্রবেশের অপেক্ষায়।সাম্প্রতিক সময়ে দারুন করেছেন তানজিম, আর অসাধারণ ফর্মে আছেন অলরাউন্ডার দাইফুফদ্দিন। জুনে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি মাঠে গড়াবে, শান্তর দল এবার নতুন কিছুই উপহার দিবে বাংলাদেশকে, সেটিই প্রত্যশা।




