কোপার সেমিফাইনাল,বিশ্বকাপের নক আউট কিংবা ফাইনাল! সবগুলো ম্যাচেই পেনাল্টিতে জিতেছিলো আর্জেন্টিনা, আর আজতো ইকুয়েডরের বিপক্ষেও তাদের জিততে হলো ট্রাইবেকারে!
আধিপত্যটা আর্জেন্টিনা এই ম্যাচে নিজেদের মতো দেখাতেই পারেনি।ইঞ্জুরীতে থাকা মেসিকে নিয়ে দল সাজিয়েছিলো স্কালোনি,আর
ম্যাচের দশম মিনিটে প্রথমবার আক্রমণে উঠে যায় ইকুয়েডর। তবে, পায়েজের নেওয়া কঠিন শট ফিরিয়ে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করেন এমি মার্টিনেজ।
পরের মিনিটের মাথায় আবারও ইকুয়েডরের আক্রমণ। এবারের শটটি যায় বারের উপর দিয়ে। সময়ের সাথে আর্জেন্টিনাও ফেরে আপন ছন্দে। ২৬তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় তারা। তবে, এঞ্জোর মার্টিনেজ সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন। কিছুক্ষণ বাদে ফের একবার সুযোগ মিস হয় এঞ্জোর।
তবে পর পর দুবার সুযোগ হাতছাড়া করা আর্জেন্টিনা উৎসবের উপলক্ষ্য পেয়ে যায় দ্রুতই। ৩৫তম মিনিটে সেই উৎসব এনে দেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। লিওনেল মেসির কর্নার কিক থেকে পাওয়া বল ডি ব্ক্স থেকে লেসান্দ্রোকে বাড়িয়ে দেন অ্যালিস্টার। লেসান্দ্রো আর মিস করেননি। দারুণ হেডে স্কোরশিটে নাম লেখান লেসান্দ্রো।
এগিয়ে যাওয়ার পর বেশ কয়েক দফায় আক্রমণ চালিয়েও আর জালের দেখা পায়নি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ফলে ১-০ গোলের ব্যবধান নিয়েই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

২য় অর্ধেও সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইকুয়েডর।আর্জেন্টিনাকে বেশ ভালোই চ্যলেঞ্জ জানায় তারা।এবংকি ডি পউলের হাতে লাগলে আদায় করে নেয় পেনাল্টিও।কিন্তু গোলবারে যখন লাউতারো থাকে যেকোনো খেলোয়াড়েরই পেনাল্টি নিতে নার্ভ ধরে রাখা কঠিন।অভিজ্ঞ ইকুয়েডরের ক্যাপ্টেনের ক্ষেত্রেও হলো তাই,নার্ভাস হয়ে বলে ঠিকমতো পা কানেক্ট করতে না পারায় বল গড়িয়ে গিয়ে লাগে সাইড পোস্টে।ফলে সুবর্ন সুযোগ হারায় ইকুয়েডর!
কিন্তু খেলার অতিরিক্ত ৫ মিনিটের সময় আর মিস করেনি ইকুয়েডর,চেলসি মিডফিল্ডার কাইসেডোর গোলে সমতায় ফেরে ইকুয়েডর।ফলে আরো একবার আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয় পেনাল্টি শ্যুট আউটের।
যখনি খেলা ট্রাইবেকারে, তখনি যে রাজত্ব এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। তাতো বলাই যায়! আরো একবার হলো তাই।পেনাল্টিতে মেসি প্রথম শ্যুট মিস করেন,তবে ইকুয়েডরের দুটি শ্যটই সেভ দিয়ে দেন বিশ্ব সেরা গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ!ফলে আর্জেন্টিনার বাকি ৪ খেলোয়াড় গোল করায় জিতে যায় আর্জেন্টিনা!
আর এই জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে স্কালোনির শিষ্যরা।




