কোপা আমেরিকা শুরুর আগে নাম্বার নাইন নিয়ে মধুর সমস্যায় ছিল ব্রাজিল। ইনফর্ম তরুণদের সাথে অভিজ্ঞ পারফর্মার, সব মিলিয়ে যেন মনে হচ্ছিল দল বাছাইয়ে বেশ দারুণ সমস্যায় পড়তে হতে পারে কোচ ডরিভালকে। তবে সেখান থেকে নানা পারফর্মারদের ভীরে কোচ বেছে নেন দুইজন নাম্বার নাইনকে। তবে কোপা আমেরিকায় ব্যার্থ হন সেই দুইজন।
কোপার আগে খেলা প্রীতি ম্যাচে একদমই ভালো করেননি পোর্তোর এভানিলসন। পোর্তোর হয়ে দারুণ ফর্মে থাকলেও ব্রাজিল দলে এসে হয়েছেন ছন্নছাড়া। ফলে তার বদলে নামানো হয় আরেক তরুণ নাম্বার নাইন এন্ড্রিককে। এর আগে বদলি নেমে গোল করেছেন এন্ড্রিক, ফলে তার প্রতি ছিল প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার জন্য বড় ম্যাচে তাকে নামান কোচ ডরিভাল। তবে পুরো ৯০ মিনিট খেলে গোল এসিস্ট দূরে থাক, কিক অফের দেওয়া পাস বাদে কোন পাসই দিতে পারেননি এন্ড্রিক। এমন পারফর্মেঞ্চে হতাশা ব্রাজিল সমর্থকদের। এই নাম্বার নাইনের ব্যার্থতা কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলের খারাপ করার ছিল অন্যতম কারণ।

সেই ব্যার্থতা দূর করতে দুই অভিজ্ঞের দিকেই ফিরে যেতে হবে ব্রাজিল দলকে। খারাপ সময় হতে এই সিজনের শেষে ফিরেও এসেছিলেন রিচার্লিসন। তবে মার্চে জাতীয় দলে ডাক পেলেও এরপর আর দলে ডাক পাননি তিনি। অথচ জাতীয় দলে শেষ এক দশকে ব্রাজিলের সেরা নাম্বার নাইন রিচা। নিজের খেলায় প্রাচুর্য নেই, নেই আহামরি কিছু তবুও জাতীয় দলে এলে যেন নিজেকে উজাড় করে দেন তিনি। যে কারণে অন্য অনেকের চেয়ে রিচার্লিসন ব্রাজিল জাতীয় দলের অন্যতম সেরা পছন্দ হওয়া উচিত।
প্রায় একই সত্য জেসুসের জন্য৷ গত সিজন আর্সেনালের হয়ে দারুণ কাটিয়েছেন। তবে অনেকদিন ধরেই আছেন ব্রাজিল দলের বাইরে। জেসুস বিল্ডাপে অংশ নিতে পারেন, সুযোগ তৈরি করতে ও গোল করতেও পারে। ব্রাজিল দলেও বেশ অনেকদিন দারুণ পারফর্মেঞ্চ করেছেন। তবে অজানা কারণে যেন ব্রাত্য এই নাম্বার নাইন।
নিজের সম্ভাবনা জেসুস বা রিচার্লিসন কেউই ছুতে পারেননি। কেউই রোনালদো লিমাদের মত হতে পারেননি, পারেননি হালের হলান্ড, কেনদের মত হতেও। তবে ব্রাজিল দলে মন্দের ভালো ছিলেন এই দুইজন। অন্তত হলুদ জার্সিতে তার পা থেকে আসত নিয়মিত গোল। বর্তমানে তরূন নাম্বার নাইনরা নিজেদের হারিয়ে খুজছেন। সেখানে দলের এই অবস্থায় রিচার্লিসন ও জেসুসেই আবারো চাইলেই আস্থা খুজতে পারে ব্রাজিল দল।




