গত মৌসুম শেষ করে চেলসি ছেড়েছেন। চেলসির হয়ে সিলভার ক্যারিয়ার গিয়েছে চার সিজন। এই চার সিজনে চ্যাম্পিয়নস লীগ জিতেছেন। হয়েছেন চেলসির বছরের সেরা খেলোয়াড়। বিদায়ী সিজনেও ছিলেন চেলসির অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। এমনকি এই বয়সেই পেয়েছিলেন থেকে যাওয়ার অফার। তবে সেটা ফিরিয়ে দেন সিলভা। চলে যান চেলসি ছেড়ে। ছেড়ে গেলেও পান ভক্তদের ভালোবাসা। তাকে ঘিরে ভক্তদের থাকে গ্যালারিতে ডাক।

এরপর চেলসি ছেড়ে সিলভা আসেন ব্রাজিলের শীর্ষ ক্লাব ফ্লুমিনেসে। সেখানে এই সিজনে নজরকাড়া পারফর্মেঞ্চ সিলভার। ৭ ম্যাচ খেলেছেন এখন পর্যন্ত, ৭ ম্যাচে তার গড় রেটিং ৭.২। এই বয়সে এসেও বল প্লেয়িংএ ক্ষুরধার, পাসিং হার শতকরা ৯২ ভাগ। এর বাইরে ৭৬ ভাগ জিতেছেন এরিয়াল ডুয়েলস। তার সাথে বল দখলের লড়াইয়ে নাজেহাল খেলোয়াড়রা। ৭০% জিতেছেন গ্রাউন্ডস ডুয়েলস। ৭ ম্যাচে সিলভা ট্যাকেল করেছেন ৩১ বার। অর্থ্যাৎ গড়ে ম্যাচ প্রতি ৪ এর অধিক ট্যাকেল করেছেন সিলভা।
এই সিজনে সিরিআ তে ধুকছে ফ্লুমিনেস। আছে রেলিগেশন এর শঙ্কায়। তবে এর মাঝে ব্যাতিক্রম সিলভার পারফর্মেঞ্চ। পুরো সিজনে যে পারফর্মেঞ্চ ফ্লুমিনেসের, সে তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ করছে দলটি। অন্তত তার খেলা ৭ ম্যাচে ৩ জয় ও ২ ড্র নিয়ে তুলনামুলক ঘুরে দাড়িয়েছে ফ্লুমিনেস। অথচ পুরো সিরিআতে এই সিজনে ২২ ম্যাচে মাত্র ৫ জয় ফ্লুমিনেসের, ড্র মাত্র ৬ ম্যাচে।

এর আগে পিএসজিতে লম্বা সময় কাটিয়েছেন সিলভা। সেখানে করেছেন ধারাবাহিক পারফর্মেঞ্চ। বেশ অনেক বছর খেলে ফ্রেঞ্চ লীগ ওয়ানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই সেন্টার ব্যাক। এতপর চেলসিতে বিদায় নিয়েছেন লিজেন্ড হিসেবে। শেষবেলায় ফ্লুমিনেসে ফ্লুমিনেস সেও দেখা যাচ্ছে তার পারফর্মেঞ্চের ঝলক।
তবে আশ্চর্য কারণে ২০২২ এর পর দলের বাইরে সিলভা। দলের ব্যার্থতায় বলির পাঠা হয়ে বাদ পড়তে হয় তাকে। অনেকে হয়ত বয়সের কথা বলবেন, তবে এই বয়সেও কোন ব্রাজিলিয়ান সেন্টার ব্যাক সিলভাকে টক্কর দিতে পারছেনা। এর সাথে আছে সিলভার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব। বর্তমানে ব্রাজিল দল যে অনেকটাই নেতৃত্বশুন্য, তা স্পষ্ট। সিলভারা এসে বদলাতে পারে সে চিত্র। আগামী দিনে সেই দৃশ্য বদলাতে সিলভাকে কোচ সুযোগ দেন কিনা, এটাই এখন বড় প্রশ্ন।




