ফ্রেঞ্চ দল ট্রয়োসের হয়ে লোনে জিরোনায় এসেছিলেন। গত সিজনে জিরোনা শুরু করে টেবিলের নিম্নসারির দল হিসেবে, যারা লড়াই করত রেলিগেশন থেকে বেচে থাকার। সেই জিরোনাকে পথ দেখান, দীর্ঘদিন রাখেন লা লীগা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে। এই সিজনে জিরোনাকে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়নস লীগের টিকিট এনে দেন। ভালো খেলার পুরষ্কার হিসেবে জাতীয় দলে পান ডাক। সেখানেও গতি, ড্রিবলিং, গোল দিয়ে নজর কাড়েন সবার। এবার আরো বড় পুরষ্কারের সামনে স্যাভিও।
গত সিজনে লা লীগার সর্বোচ্চ ড্রিবলিং করা স্যাভিও করেছেনে ২১ গোল এসিস্ট। এবার তার পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছেন বছরের সেরা হওয়ার দৌড়ে নিজের নাম লিখিয়ে। প্রতি বছর সেরা তরুণ খেলোয়াড়কে দেওয়া হয় কেপা ট্রফি। সেই কেপা ট্রফির ফাইনাল নমিনেশনে আছে স্যাভিও এর নাম।

তবে শুধু স্যাভিও নয়, এই তালিকায় আছেন লামিন ইয়ামাল, আলেহান্দ্রো গার্নাচোর মত তারকা। গত সিজনে স্পেন ও বার্সেলোনার হয়ে দারুণ খেলেছেন ইয়ামাল। তাকে বলা হয় আগামী দিনের মেসি। ইউরোর অন্যতম সেরা ইয়ামাল বার্সার হয়ে গত সিজনে করেন ১৪ গোল এসিস্ট। মুলত স্যাভিও এর সাথেই ইয়ামাল এর লড়াই হবে সেরা হওয়ার লড়াই নিয়ে। এছাড়া আছেন আর্জেন্টিনার লেফট উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গার্নাচো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দারুণ পারফর্মেঞ্চ করে তিনি জায়গা পেয়েছেন এই তালিকায়।

এই তালিকায় আছেন আরেক ম্যানসিটি তারকা কবি মাইনো। গত সিজনে একাধিক খেলোয়াড়ের ইঞ্জুরিতে সুযোগ পান এই মিডফিল্ডার। সেই সুযোগ পেয়েই তার সর্বোচ্চ ব্যাবহার করেন এই ইংলিশ। এছাড়া তালিকায় আছেন পিএসজির দুই মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস ও উনাই জাইরি এমরি। লামিন ইয়ামালের মতই অল্প বয়সে আলোড়ন তৈরি করেন উনাই জাইরি এমেরি৷ আর জোয়াও নেভেস পান গত বছরের পারফর্মেঞ্চের পুরষ্কার।
এছাড়া তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বার্সেলোনা পাও কুবার্সি ও রিয়াল মাদ্রিদের আর্দা গুলার। গত সিজনে বার্সার ডিফেন্সের ত্রাতা হন কুবার্সি। আর সিজনের অধিক সময় ইঞ্জুরিতে থাকলেও শেষে নিজের প্রতিভা জানান দেন গুলার। এর বাইরে তুর্কির হয়ে ইউরোতে দারুণ পারফর্মেঞ্চ তার নাম এনে দেয় এই তালিকায়। আছেন আইভোরিকোষ্টের খেলোয়াড় করিম কোনাতে। সালজবুর্গের এই স্ট্রাইকার গত সিজনে ২২ গোল করে আসেন এই তালিকায়। সভ মিলিয় কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে স্যাভিও এর সামনে। দেখা যাক এদের পাড়ি দেয় কাঙ্ক্ষিত পুরষ্কার সে অর্জন করতে পারে কিনা।




