আর্জেন্টাইন ফুটবলে তাকে নিয়ে ছিল বড় প্রত্যাশা। অল্প বয়সে আমেরিকান লিগে গেলেও নজর এড়াননি কোচ ও সমর্থকদের। তার একের পর এক দুরপাল্লার শট ও ফ্রিকিক মুগ্ধ করত দর্শকদের। তবে জাতীয় দলে যেন সেভাবে পাওয়া যেত না আলমাদা’কে। আর্জেন্টিনার যুব দলের হয়ে দারুণ খেললেও বারবার জাতীয় দলে সেভাবে পাচ্ছিলেন না সুযোগ।
মুলত এটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন আলমাদা। এই পজিশনে একাধিক দারুণ খেলোয়াড় থাকায় কখনও সেভাবে মাঠে বড় মিনিট পাননি আলমাদা। তবে তাতে ধৈর্য্যহারা হননি৷ বরং যখন সুযোগটা পেয়েছেন, তখন সেটাকে কাজে লাগিয়েছেন তিনি। আর সেই সুযোগটাই এলো যেন বলিভিয়ার বিপক্ষে।
তরুণ কার্বনি, বার্কোরা নেই ইঞ্জুরির কারণে। একই কারণে দলের বাইরে রোমার অভিজ্ঞ পাওলো দিবালা। আর অবসরের কারণে দলে নেই এনহেল ডি মারিয়া। স্বভাবতই সুযোগ আসে থিয়োগা আলমাদার। আর সে সুযোগের সৎব্যাবহার করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ- নভেম্বরেই মাঠে ফিরবেন নেইমার, জানালেন তিনি নিজেই
আর্জেন্টিনার হয়ে বলিভিয়ার বিপক্ষে ৬৫ মিনিটে ডি পলের বদলি হয়ে নামেন মাঠে। এরপর নিজের গোল দেখাতে অপেক্ষা মাত্র ৫ মিনিট। বাম দিক থেকে ফুলব্যাক মলিনার বাড়ানো বল থেকে নিখুত ফিনিশিং। বল ততক্ষণে খুজে পায় জালের ঠিকানা। উজ্জাপনে যেন নিখুত আনন্দের ছাপ আলমাদার।
গোল ছাড়াও এদিন পাসিং, লং বলে দারুণ ছিলেন আলমাদা। পাস করেছেন ৯০ ভাগ হারে। ১ বার জিতেছেন ট্যাকেলস ও ২ বার জিতেছেন ডুয়েলস৷ এর বাইরে এই সিজনে আমেরিকান ক্লাব আটলান্টা ছেড়ে আসেন আলমাদা। এই সিজনে যোগ দেন ব্রাজিলের ক্লাব বোটাফিগোতে। ব্রাজিলের এই ক্লাবের হয়ে খেলা ব্রাজিলিয়ান লুইস হেনরিক, ইগর জেসুসরা কাপাচ্ছেন ব্রাজিল জাতীয় দল। এই দলে খেলে আবারো জাতীয় দলে মেলে ধরেছেন সুয়ারেজ। আর সেখানে বড় ভুমিকা রাখতে পারবেন আলমাদা, তা আশা করা যায়।
আলমাদা পাসিংএ বেশ দারুণ। এই সিজনে ৮৯ ভাগ হারে পাস দিয়েছেন৷ তবে তার শুটিং, লং বলে ভক্তরা থাকেন মুগ্ধ। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে এর আগে একবার গোল পেয়েছেন আলমাদা। নিয়মিত গোল পেয়েছেন যুব দলের হয়ে৷ আলমাদার সামনে এবার সুযোগ নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। কারণ এই পজিশনে কঠিন পথ পারি দিতে হবে তাকে। এবার দেখা যাক, আশার সাথে পারফর্মেঞ্চের মিলন হয় কিনা।




