বিপিএলে সিলেট দলের সম্ভাব্য অধিনায়ক রনি তালুকদার। নতুন করে অধিনায়কত্বের ভার পেলেন এই ব্যাটার। দলের নেতৃত্বের সাথে সিলেট দলের ওপেনিংএও দেখা যাবে এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে। রনির সাথে ওপেনিংএ দেখা যাবে স্কটল্যান্ডের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান জর্জ মানজিকে। টি২০ ক্রিকেটে বেশ পরিচিত মুখ মানজি। এই তারকার সাথে রনির একটা দুর্দান্ত শুরুর দিকেই তাকিয়ে থাকবে সিলেট ভক্তরা।
নাম্বার তিনে খেলবেন উইন্ডিজের পাওয়ার হিটার রাখিম কর্নওয়েল। দাঁড়িয়ে ছক্কা মারতে বেশ পটু এই ব্যাটার। এর সাথে সাথে আবার তার বোলিং হতে পারে সিলেট দলের জন্য কার্যকর। সব মিলিয়ে শুরুর দিকে তাকেও ব্যাবহার করতে চাইবে সিলেট দল।
নাম্বার চারে দেখা যাবে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জাকির হাসানকে। বিপিএলে বেশ ধারাবাহিক জাকির হাসান। গত দুই আসরের পর এবারো সিলেট দলেই আছেন এই ব্যাটার। জাকির হাসানের পর আমেরিকান দলের অধিনায়ক এরন জোনস খেলবেন নাম্বার পাচে।
নাম্বার ছয়ে দেখা যাবে দেশী ফিনিশার জাকের আলী অনিককে। এই মুহুর্তে বাংলাদেশের সেরা ফিনিশার জাকের আলী অনিক। উইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন জাকের আলী। এবার জাকেরের এমন পারফর্মেঞ্চ দেখতে চায় সিলেটবাসীও।
নাম্বার সাতে থাকবেন ডানহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার নাহিদুল ইসলাম। কিছুদিন আগে সিক্সার্স খেলা নাহিদুলের মুল দায়িত্ব থাকবে বোলিংএ।তবে এর সাথে ব্যাটিংটাও করতে পারেন তিনি। তার সাথে স্পিনে জুটি গড়বেন বাহাতি স্পিনার নাহিদুজ্জামান। ভিন্ন ধর্মী একশন ও টার্ন দিয়ে আগেই নজর কাড়েন এই বোলার। তবে নাহিদুজ্জামান নাম্বার আটে নয়, নাম্বার দশেই তার দেখার সম্ভাবনা বেশি।
কেননা নাম্বার আট ও নয়ে থাকবে বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ডের দুই শীর্ষ পেস বোলার। একদিকে দেশী ডানহাতি পেসার তানজিম হাসান সাকিব, আরেকদিকে ইংলিশ অন্যতম সেরা পেসার রিস টপলি। বিপিএলের অন্যতম সেরা পেস বোলিং ডুয়ো সিলেটের। আর বোলিং এর সাথে সাথে দলের প্রয়োজনে ব্যাটটাও ঘুরাতে পারেন এই দুইজন। এদের সাথে থাকবেন ঘরোয়া লীগে পারফর্ম করা আরেক বাহাতি পেসার রুয়েল মিয়া। সব মিলিয়ে এই একাদশ নিয়ে মাঠে নামবে সিলেট। এবার দেখা যাক, এই দল নিয়ে কেমন করে একবারের ফাইনালিস্টরা।




