ফরচুন বরিশালের হয়ে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি রিশাদ। এক দিকে বিপিএলের জন্য বিগ ব্যাশকে না বলা অপর দিকে সেই বিপিএলেই ম্যাচ খেলতে না পারা, এক কথায় রিশাদের জন্য বিপিএল এবার নতুন অভিজ্ঞতা। কিন্তু কি আর করার ভাগ্যর লিখন মেনে নিতেই হবে। তবে ডাক পেয়েও বিগ ব্যাশ খেলতে না পারার যে আক্ষেপ তা কি কখনো রিশাদকে পেয়ে বসবে?
হয়তো আক্ষেপ আছে নয়তো বাস্তবতা মেনে নিয়েছেন রিশাদ, তবে তার দল হোবার্ট হ্যারিকেন্স তাকে ছাড়াই মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, বিবিএলে টেবিলপর চতুর্থ দল হিসেবে আছে। সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে ৩ জয়ের মালিক হোবার্ট। ৪ ম্যাচের তিনটাতেই জিতেছে রিশাদের দল। রিশাদের দল বলার কারন এই দলেই রিশাদের খেলার কথা ছিলো, ১৯ ডিসেম্বর হোবার্ট তাদের প্রথম ম্যাচ খেলে সেখানে রিশাদ খেলতে পারতেন যদি ন্যাশনাল ডিউটি না থাকতো। হোবার্ট যেদিন টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামে ঐদিন রিশাদ বছরের শেষ টি-টোয়েন্টি খেলতে মাঠে নামে। নেমেই তিন উইকেট শিকার করেন। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে বছর শেষ করার দিনে হয়তো হোবার্ট হ্যারিকেন্স রিশাদকে না পেয়ে খানিকটা আফসোস করেছে এই ভেবে যে, এই স্পেলটাই তো বিগ ব্যাশে করতে পারতেন রিশাদ। একই আক্ষেপ কি রিশাদেরও হয়েছিলো?
প্রোফেশনলা ক্রিকেটারদের আক্ষেপ বলে কিছু থাকতে নেই, যেখানে যখন সুযোগ পাবেন সেটিই তখন কাজে লাগাবেন। রিশাদ হয়তো বিগ ব্যাশে খেলতে পারেননি কিন্তু বিপিএলে ঠিকই আছেন। হয়তো শুরুর কটা ম্যাচ মিস করছেন, কিন্তু খুব শীগ্রই একাদশে ফিরবেন। তবে যে কটা ম্যাচ মিস করেছেন রিশাদ তাও কম্বিনেশনের কারনে। তার জায়গায় তানভীর রীতিমতো ভালো করছিলেন। তাই তানভীরকেই ক্যারি করেছে বরিশাল যার কারনে শুরুর কটা ম্যাচ মিস করেছেন রিশাদ। কিন্তু ধারনা বলে, সিলেট পর্বেই বিপিএলে মাঠে নামতে যাচ্ছেন রিশাদ।




