সিলেটে নিজেদের শেষ ম্যাচে হার দেখেছে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে, এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে দুটি হার বরিশালের, তবে দুটিই সেই অপরাজিত রাইডার্সদের বিপক্ষে।
তবে গত ম্যাচেই নিজেদের প্রথম জয় দেখেছে ঢাকা ক্যাপিটালস,আর সেই জয়ের পরই এবার ঢাকা মুখোমুখি হবে বরিশালের।অনেকটা বাধ্য হয়েই টিম কম্বিনেশনে চেঞ্জ আনতে হবে বরিশালকে।একই ধরনের খেলোয়াড় না থাকায় কিছুটা বিপাকেই পরবেন তামিম ও তার টিম ম্যানেজমেন্ট। কেননা শাহীন শাহ আফ্রিদি আর মায়ার্স দুজনই ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ছেড়েছেন,আর দুজনেই ছিলেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার।তবে তাদের বিকল্প যারা আছে সেখানে যদিও জেমস ফুলারকে তাদের একজনের বিকল্প ধরাই যেতে পারে,তবে অন্যজনের বিকল্প নেই বরিশালের।বেঞ্চে মোহাম্মদ নবী ও ডেভিড মালানের মতো খেলোয়াড় থাকলেও দুজনেই স্পীন অলরাউন্ডার, তাই চট্টগ্রামের পিচে একজন পেসার আলাদা করে নিতেই হবে বরিশালকে।আর সেই সমীকরণ মেলাতে এবার বাদ পরতে পারেন এক দেশী তারকাই।
ওপেনিংতে তামিম-শান্তই খেলবেন,আগের ম্যাচে দুজনেই পেয়েছেন ভালো শুরু।দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্যাপ্টেনের পর ওয়ান ডাউনে কাইল মায়ার্সের জায়গায় দেখা যেতে পারে ডেভিড মালানকে।দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ স্পীনটাও করেন ডেভিড মালান,
মালানের পর ৪ নম্বরে তাওহীদ হৃদয় খেলবেন,বেশ ভালোই ছন্দে আছেন তিনিও,বিশেষ করে চট্টগ্রামের মাঠে আছে তার দারুন অতীত।
এরপর দুই অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ খেলবেন,যদিও এই আসরে এখন পর্যন্ত খুব একটা ভাল করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম।
নম্বর সাতে ফাহিম আশরাফ খেলবেন তা নিয়ে খুব একটা শংশয় নেই,
নাম্বার আটে জেমস ফুলারই সবচেয়ে এগিয়ে থাকবেন, যদি ডেভিড মালানকে না নিয়ে নবীকে নেওয়া হয় সেটি আশ্চর্য হবার কিছুই থাকবে না,তবে পেস অলরাউন্ডার হিসেবে এই পজিশনে জেমস ফুলারকেই দেখা যাবে তা অনেকটাই নিশ্চিত।
নম্বর ৯ এ খেলবেন পাকিস্তানি অন্য পেসার জাহানদাদ ,সম্প্রতি দারুন বল করছেন তিনি।
জাহানদাদ-ফুলার-ফাহিম আশরাফ এই তিন পেসারের সাথে আরো এক দেশী পেসারকে জায়গা দিতে তানভির অথবা রিশাদ যেকোনো একজনকে বসিয়ে দেওয়া হতে পারে।সেক্ষেত্রে এই স্থানে রিপন মন্ডল অথবা ইকবাল হোসেন ইমন এই দুজনের একজন জায়গা পাবেন একাদশে।
আগামী ১৬ তারিখ সাগরিকায় প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হবে বরিশাল আর ঢাকা।




