টপ ওয়ার্ডারের দুর্দান্ত শুরুর পর মিডলে রানের গতির মন্থর গতি,এরপর অঙ্কনের ঝড়ো ব্যাটিং, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বরিশালকে খুলনা টাইগার্স টার্গেট দেয় ১৮৮! জবাবে ব্যাট করতে নামে তামিম-হৃদয়।৭ বলে মাত্র ১১ রান করেই আবু হায়দার রনির বলে আউট হন তাওহীদ হৃদয়।
তবে ধীরগতির ব্যাট করতে থাকেন তামিম ইকবাল।তবে অন্য প্রান্তে ঝড় তুলছিলেন ডেভিড মালান।
তামিম ক্রিজে থাকতেই অর্ধশতক তুলে নেন এই ইংলিশ ব্যাটার।তবে তারপরই সালমান ইরশাদের বলে আউট হয়ে ফেরেন তামিম ইকবাল।তামিম আউট হলেও দুই ছয়ে রানের চাকা এগিয়ে নেন মুশি,তবে তারপরই ৩৭ বলে ৬৩ করা মালানকে নাইমের ক্যাচ করে ফেরান আফিফ হোসেন ধ্রুব।
এরপর দারুনভাবে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিক -রিয়াদ,কিন্তু রিয়াদ রান আউট হয়ে ফিরলে কিছুটা চাপে পরে বরিশাল।নিজের খারাপ সময় কাটানো মুশফিক আজও ধরতে পারেনি ব্যাট হাতে দলের হাল।শেষ পর্যন্ত সব ভার থাকে দুই বিদেশী ব্যাটার ফাহিম-নবীর কাধে।যে দায়িত্ব তারা ঠিকই পালন করেন সফলভাবে।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে খুলনাকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম শেখ। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৪৭ রান। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি মিরাজ। ১৮ বলে ২৯ রান করে বোল্ড আউট হন তিনি।
তবে তিনে ব্যাট করতে নেমে বোসিস্টোকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন নাঈম। ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। পরের বলেই ক্যাচ আউট হন তিনি। এতে ৯ ওভারে ৯৯ রানে ২ উইকেট হারায় খুলনা। ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন অ্যালেক্স রোস।
এরপর বোসিস্টোকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন আফিফ হোসেন। তবে ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনি। ২৭ বলে ৩২ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ৬ বলে ২ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ নাওয়াজ। এতে রানের গতি কমে যায় খুলনার।
সপ্তম উইকেটে পিচে এসে ব্যাট চালাতে থাকেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। শেষ পর্যন্ত বোসিস্টোর ১৬ বলের ২০ রান এবং অঙ্কনের ১২ বলের অপরাজিত ২৭ রানের ভর করে ১৮৭ রানের লড়াকু পুঁজি পায় খুলনা।




