আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল ও সৈকত নতুন ধার খুলেছেন বাংলাদেশের আম্পায়ারদের জন্য।চাইলেই যে বিশ্ব মাতাতে পারেন বাংলাদেশের আম্পায়াররাও সেটিই প্রমান করেছেন তারা।আর তার মুল্যায়নও করছে বিসিবি!
নির্ধারণ করা হয়েছে বিসিবির বেতনধারী আম্পায়ারদের বেতনের নতুন কাঠামো! আর টিভি অনলাইনের তথ্যমতে,
যেখানে স্বাভাবিকভাবেই সবার ওপরে এ প্লাস ক্যাটাগরিতে আছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
এখন দেশের সর্বোচ্চ বেতনধারী আম্পায়ারও তিনি। আইসিসির এলিট প্যানেলভুক্ত আম্পায়ারের বেতন এখন ২ লাখ টাকা।তার পরেই এই তালিকায় সিনিয়র আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুলের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ টাকা।
পরের ক্যাটাগরিতে আছেন অভিজ্ঞ গাজী সোহেল ও তানভীর আহমেদ। তাদের বেতন ঠিক করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। মোর্শেদ আলী খান সুমন ঠিক পরের ক্যাটাগরিতে থেকে পাবেন মাসে ৭০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া বিসিবি এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের বেতন ধরা হয়েছে ব্যক্তিভেদে ৪৫ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। সিনিয়র আম্পায়ার মাহফুজুর রহমান লিটু এই ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে বেশি ৫৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন।
আরেক ক্যাটাগরিতে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা এবং সর্বশেষ বিসিবি ইমার্জিং ক্যাটাগরিতে একদম নতুন আম্পায়ারদের জন্য মাসিক বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা।এছাড়াও বেতন পাবেন চার নারী আম্পায়ারও।
গত বছরের মার্চে আইসিসির এলিট প্যানেলে আম্পায়ার হিসেবে নাম লেখান সৈকত। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার বার্ষিক মূল্যায়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিপিএলের ইতিহাসে দায়িত্ব পালন করা প্রথম এলিট প্যানেলের আম্পায়ারও তিনি।
চলতি বিপিএলে আম্পায়ারদের পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয়রা ৩৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ম্যাচপ্রতি পাচ্ছেন ৫০ হাজার টাকা। আর আইসিসির ইন্টারন্যাশনাল প্যানেলে থাকা আম্পায়ারদের প্রতি ম্যাচের পারশ্রমিক ৫০০ ডলার থেকে ৬০০ ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।
তবে সেখানেই ম্যাচ প্রতি পুরো ২ হাজার ডলার পারিশ্রমিক পাচ্ছেন সৈকত।এবার জানানো হলো শুধু ম্যাচ ফি নয়,তাকে বিসিবি দিচ্ছে চওড়া বেতনও।





