প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৭৪ রানেই তল্পিতল্পা গুটিয়ে ফেলেছে, দেশীয়দের ব্যাট কথা বলেনি তাই বড় রানও করতে পারেনি। বরিশালের বোলারদের কাছে আত্নসমর্পণ করে মাঠ ছেরেছেন ব্যাটাররা। আর এতে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ও নিশ্চিত হয়ে গেছে ঢাকার। বড় শখ করে দল কিনেছিলেন শাকিব খান, কিন্তু সেই শখ শোক হয়ে গেছে। ম্যাচ জয় তো দূরের কথা জয়ের জন্য রেসে পর্যন্ত থাকতে পারেননি। বরিশালের সঙ্গে তো বাজেভাবে হেরেছে। ব্যাটিংয়ের শুরুতে ২ ওপেনার মিলে করেছেন ১৭ রান, ১০ রান করে আউট হয়েছেন লিটন। রিয়াজ হাসানের ব্যাটে কোনো রানই আসেনি। তিন ওভার ব্যাট করে কোটজে করেছেন ৫ রান। শুনে অবাক হতে পারেন, তবে এটাই ঘটিয়েছেন ঢাকা ক্যাপুটালসের ব্যাটার। জীবন পেয়ে জীবন হারিয়েছেন সাব্বির। এলবিডব্লুর হাত থেকে বেচে ক্যাচ আউট হয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। মোসাদ্দেক যেন টেস্ট খেলতে নেমেছেন, ৩৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন। ১১ বলে ১৫ রান করেছেন ক্যাপ্টেন অব ক্যাপিটালস।
ঠুকরে ঠুকরে ৭৪ রান অবধি যেতে পেরেছিলেন ঢাকার ব্যাটাররা। জবাব দিতে নামেন তামিম আর হৃদয় ১৫ করে হৃদয় আউট হলেও তামিম ম্যাচ শেষ করে ফিরেছেন। ডেভিড মালান দেখিয়েছেন এই উইকেটে কেমন ব্যাট করতে হয়। মালানের ব্যাটে চড়ে ৯ উইকেটের জয় পায় ফরচুন বরিশাল। গো হারা হারে ঢাকা ক্যাপিটালস। বরিশালের জয়ের প্রশংসা যত হয়েছে তার থেকে বেশি সমালোচনা হয়েছে ঢাকার হার নিয়ে। হারের ধরনের মধ্যেও পার্থক্য থাকে। কিন্তু ক্যাপিটালসের হার দেখে মনে হয়েছে তারা হারবেন জেনেই খেলতে নেমেছেন।
অন্যদিকে নিজেদের শিরোপার ঘাটে নিয়ে যেতে প্রস্তুত তামিমের দল। আরও একবার শিরোপা হাতে উঠতে পারে তামিম ইকবালের। প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে তামিমের। নিজেদের দিনে যে কোনো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে শিরোপা জিততে পারে ফরচুন বরিশাল।





