সৌম্য ছন্দে ফিরেছেন, একটুর জন্য শতক মিস করেছেন, আর ২৬ রান করতে পারলে শতকটাও পেয়ে যেতে পারতেন। সঙ্গীর অভাবে শতক পাওয়া হলো না সৌম্যর। তবে যতক্ষণ মাঠে ছিলেন ততক্ষণ চার ছক্কায় মাতিয়ে তুলছিলেন। ২২০ রান সামনে রেখে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫৪ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন সৌম্য। খুলনার দেয়া টার্গেটে অবশ্য ভালো করতে পারেনি রংপুরের বাকি ব্যাটাররা। তবে সৌম্য দেখিয়েছেন তার ক্লাস।
পাওয়ার হিটিংয়ে সৌম্য বরাবরই পটু, অফ ফর্মে যখন ছিলেন তখন তাকে ঘিরে ভক্তদের আক্ষেপের অন্ত ছিলো না। সৌম্য কবে ফিরবেন এই প্রত্যাশা ছিলো ভক্তদের। সৌম্য ফিরেছেন দারুন ব্যাটিং করে ফিরেছেন। বিগ শটের দিকেই তার নজর ছিলো, চারের মারের জন্যও খেলেছেন। স্পিনারদের বলে দারুন ব্যাটিং করেছেন। পেসারদের বলের পেস ব্যবহার করে চার ছক্কা আদায় করেছেন। এমন সৌম্যকে খুজে পাওয়াই যেন ভক্তদের চাওয়া। সৌম্য ফিরলে মাঠে চার ছক্কা পাওয়া যায় তার প্রমান দিয়েছেন এই ম্যাচে, খেলেছেন ৪৮ বল রান করেছেন ৭৪, ৫ টা ছক্কা, ৬টা চার খেলে আউট হয়েছেন সৌম্য। সঙ্গী পেলে আরও ভালো ব্যাট করতে পারতেন এই বাহাতি।
ম্যাচের হাল ধরে রেখেছিলেন সৌম্য সরকার। একের পর এক চার ছক্কা হাকিয়ে মাঠ মাতিয়ে তুলছিলেন এই বাহাতি ওপেনার। সামনে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আর এমন মুহুর্তে সৌম্যর পাওয়ারফুল ব্যাটিং বলে দেয় কতটা ছন্দে আছেন এই ব্যাটার। ইঞ্জুরি থেকে ফিরেও যেভাবে সোম্য ব্যাটিং করেছেন তাতে এই ব্যাটারকে নিয়ে আশা করাই যায় ভালো কিছু করবেন।
সৌম্যর ভালো ইনিংসের দিনে দারুন করেছে খুলনা টাইগার্স খুলনার হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন মেহেদী মিরাজ, ১২ বলে ২১ রান করে ফেরেন ক্যাপ্টেন অব খুলনা টাইগার্স। ৬২ বলে একশো এগারো রান করেন নাীম শেখ। এবার বিপিএলে নাঈমের প্রথম শতক। এ্যালেক্স রসের সাথে ভুল বুঝাবুঝি হওয়ার পরেই যেন নাঈম ধ্বংসাত্মক হয়ে ওঠেন নাঈম। একের পর এক চার ছক্কা হাকিয়ে বল পাঠান মাঠের বাইরে। ৬২ বল খেলে ছক্কা হাকান ৮ টি। চারের মার ছিলো ৭ টি। নাঈম যেন নতুন রূপে ফিরেছেন। চার ছক্কার মারের সঙ্গল আত্নবিশ্বাসী শট গুলো বলে দেয় কতটা এগ্রেসিভ ব্যাটিং করেছেন নাঈম শেখ।
নাঈমের সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে আউট হওয়া রসের ব্যাট থেকে আসে মোটে ১২ রান। ২১ বলে ৩৬ রান বসিস্তোর ব্যাট থেকে আসে। ১৫ বলে ২৯ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। খুলনার ৬ ব্যাটার মিলে করেন ২২০ রান। আর সেই রানের টার্গেটে ব্যাট করতে গিয়ে সৌম্য একের পর এক হিট করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে হাসানের বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। তবে যতক্ষণ মাঠে ছিলেন ততক্ষণ নিজের সেরাটা দিয়ে লড়ে গেছেন সৌম্য। আর এই লড়াইয়ের ফুসরত যুগিয়েছেন নাঈম শেখ, কেননা তার শতকের কারনেই বড় টার্গেট পায় রংপুর রাইডার্স। আর সেই টার্গেটে চাপা পরেই হারে রংপুর।




