চিটাগং কিংস কিংবা দুর্বার রাজশাহীর খেলোয়াড়দের অভিযোগ তারা টাকা পায়নি,
অন্যদিকে টাকার অভাবে সিলেট স্ট্রাইকার্সতো তেমন খেলোয়াড়ই দলে ভেড়ায়নি।
তবে ঢাকাই সিনেমার নায়কের মালিকানাধীন ঢাকা ক্যাপিটালস এসবে ছিলো বেশ পেশাদার।সময়মতো শুধু সবার টাকাই শোধ করেনি,বরং একটি দারুন ফ্রাঞ্চাজি হিসেবে মাঠের বাহিরেও করেছে দারুন সব কাজ।
একটু শুরু থেকেই বলা যাক,
শাকিব খানের সাথে, ইমন, আমিন খান,কিংবা বিদ্যা সিনহা মিম পরীমনিদের নিয়ে প্রথমে আলাদা একটি মাত্রা যোগ করেছে এবারের বিপিএলে।সেই উন্মাদনার পাশাপাশি যারা ভালো ক্রিয়েটর তাদের উৎসাহের জন্য আলাদা একটি প্রোগ্রাম করে তারা।

অনুশীলনের শুরুতেই নজড় কারেন প্রাক্টিস কিট দিয়ে,বেশিরভাগ খেলোয়াড়ও এসেছিলো যথাসময়ে।
তবে টানা ৬ ম্যাচে হারা ঢাকা ক্যাপিটালসের ভাগ্যকে দোষ দেওয়া ছাড়া উপায় ছিলোনা কিছুরই।
মুস্তাফিজুর রহমান,লিটন দাসদের মতো খেলোয়াড়রাই শুরুতে ছিলেন অফ ফর্মে।
খারাপ খেলা উপহার দেওয়ার পর,যেদিন জিতলো সেদিন প্রায় ভেঙে দিলো সব রেকর্ড। তার চেয়েও বড় ইতিবাচক দিক,লিটনকে রানে ফেরানোর বড় কৃতিত্ব যাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের কাছেই।
শুধু লিটন নয়,চলতি আসরের সেরা ব্যাটার তানজিদ তামিম আছেন দারুন ফর্মে,চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যা ইতিবাচক হবে বাংলাদেশের জন্য।
দর্শকপ্রিয় সাব্বির রহমান আগের বছরও দল পায়নি,এবারও ছিলো শুরুর দিকে অবিক্রিত,তবে শেষমেশ তাকেও দলে নেয় ঢাকা ক্যাপিটালস।আর তার ব্যাটের ঝলক এবার আলাদা করে আবারো ভক্তদের মনে করাচ্ছে সাব্বির ফিরবেন আবারো!
এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢাকা ক্যাপিটালস ছিলো বেশ পেশাদার।সব মিলে টালমাটাল, বিপিএলে এবার বেশ ইতিবাচকই ছিলো ঢাকার ম্যানেজমেন্ট।




