ম্যাচ জিতলেই ফাইনাল নিশ্চিত হারলেও থাকবে এক সুযোগ, এমন সমীকরণ সামনে রেখেই চিটাগং আর বরিশাল মুখোমুখি হয়েছিলো কোয়ালিফায়ার ওয়ানে।সেখানে দারুন বোলিংয়ে শামীমের অসাধারণ ব্যাটের সুবাধে মান বাচানো সংগ্রহ পায় চিটাগং।
তবে ১৫০ রানের টার্গেট মোটেও কঠিন ছিলনা বরিশালের জন্য।
২৬ বলে ২৯ করে তামিম আউট হলেও,এক পাশ ধরে রেখে অফ ফর্মের হৃদয়ই তুলে নেন দারুন ফিফটি।হৃদয়ের সাথে বাকি কাজটা করেন ডেভিড মালানই,ফলে এক সহজ জয় নিয়ে ব্যাল টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো বরিশাল।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে শুরু করেছিলেন খাজা নাফি। কিন্তু পরের বলেই বোল্ড আউট হন এই পাকিস্তানি ব্যাটার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি গ্রাহাম ক্লার্কও।
৬ বলে ৬ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর মিথুন আলী ১ এবং হায়দার আলী ৭ রান করে আউট হলে দলীয় ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারায় চিটাগং। কিন্তু ছয়ে ব্যাট করতে নামা শামীম পাটোয়ারীকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন ওপেনার ইমন।
দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৩ ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে চিটাগং। কিন্তু ফিফটি তুলতে পারেননি ইমন। ৩৬ বলে ৩৬ রান করে ক্যাচ আউট হন তিনি। তবে অপর প্রান্ত আগলে রেখে ২৯ বলে ফিফটি তুলে নেন শামীম।
দলের পুঁজি বড় করার লক্ষ্যে শেষ দিকে আরও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করেন শামীম। ৮ বলে ১ রান করে বোল্ড আউট হন খালেদ আহমেদ এরপর ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে এবাদতের হাতে ক্যাচ তুলে দেন শামীমও। পঞ্চম বলে আরাফাত এবং শেষ আলিস ইসলামে আউট করে ফাইফার তুলে নেন আলী। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের পুঁজি পায় চিটাগং।তবে তা যথেষ্ট ছিলোনা শক্তিশালী বরিশালের জন্য।




