৮৫ মিনিটে রিচার্লিসন নেমে আদায় করলেন গোল। এক গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা স্পার্সদের। শেষদিকে ম্যাচে তখন রুপ নেয় উত্তেজনায়। তবে এক মিনিটের মাথায় সেই উত্তেজনা কমিয়ে দেন ম্যাথুইস কুনহা। রিচার্লিসনের জবাবে এক মিনিট পর গোল দিয়ে ব্যাবধান করেন ৪-২। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি টটেনহ্যাম।
বদলি নামা ডিফেন্ডার লুকাস বার্গভাল বল নিয়ে সময় নিচ্ছিলেন। আর সেখান থেকেই বল আদায় করেন কুনহা। সেখান থেকে আর্জেন্টিনার রোমেরো সহ টটেনহ্যামের অন্যান্য ডিফেন্ডাররা কুনহাকে আটকানোর চেষ্টা করেন।
তবে ফর্মে থাকা এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারকে কে বা আটকাতে পেরেছে। দারুণভাবে সবাইকে পরাস্ত করে গোল পেয়ে যান কুনহা।
অবশ্য এই দৃশ্য মনে করিয়ে দেয় কুনহার ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচকে। আর্জেন্টিনার কাছে সে ম্যাচে হেরে যায় ব্রাজিল, তবে ম্যাচের একমাত্র প্রাপ্তি ছিল কুনহার গোল। সেবারো প্রতিপক্ষ ডিফেন্সের ভুলে বল পেয়ে জালে জড়াতে ভুল করেননি কুনহা।
তবে বারবার এইভাবে গোল আদায় করে কুনহা দেখাচ্ছেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্সের ভুল নয়, বরং নিজের প্রেসিং দক্ষতায় এভাবে গোল আদায় করতে পারছেন তিনি।
অবশ্য কুনহা সবভাবেই গোল আদায় করতে পারদর্শী। উলভসের মত ইপিএলের মাঝারি মানের ক্লাবের হয়ে কুনহা নিয়মিত পারফর্ম করেন। এই মৌসুমে লীগে ১৫ গোল আদায় হয়ে গেছে কুনহার। এর বাইরে করেছেন ৪ এসিস্ট। ২৮ ম্যাচে লীগে এমন পারফর্মেঞ্চ কুনহাকে আলাদা নজরে রেখেছে।
প্রিমিয়ার লীগে টানা পারফর্ম করে ব্রাজিল দলে ডাক পান। ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নামার আগে ৬ ম্যাচে করেন ৫ গোল। গোল পান টানা ৪ ম্যাচে, এলিসন ও এমি মার্টিনেজ দুইজনের বিপক্ষেই আদায় করেন গোল।
ক্লাবের পর জাতীয় দলে এসেও এমি মার্টিনেজের বিপক্ষে গোল আদায় করেন কুনহা। এরপর লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে নামলেন প্রথমবার। আর সেখানে এসেও গোল আদায় কুনহার।
এই মুহুর্তে তাই কুনহাতে স্থায়ী সমাধান খোজার চেষ্টা ব্রাজিলের। এটাকিং মিড বা স্ট্রাইকার, কুনহা মাননসই যেকোন জায়গায়।
সেখানে শুধু তাকে ব্যাবহার করতে হবে ব্রাজিল কোচের। আর সেটা হলেই ভিনি, নেইমার, রাফিনহাদের সাথে কুনহা ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে করতে পারে বেশ কার্যকর।




