প্রায় ৩ মাস পর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ফিরছে ব্রাজিল দল। একই সাথে ইতালিয়ান মাষ্টারমাইন্ড ডন কার্লোর অধীনে প্রথমবারের মত মাঠে নামছে ব্রাজিল।
সব মিলিয়ে কার্লোর অধীনে ব্রাজিলকে দেখতে মুখিয়ে আছে ভক্তরা। যে কারণে আলোচনা আগামী ম্যাচে ব্রাজিলের একাদশকে ঘিরে।
এডারসন নেই দলে, কার্লোর একাদশে অবাধারিতভাবেই তাই সুযোগ মিলবে এলিসন বেকারের।
সেক্ষেত্রে দলে সুযোগ পেলেও বেঞ্চে থাকতে হবে আল নাসেরের বেন্তো ও করিন্থিয়াসের পেনাল্টি স্পেশালিস্ট গোলরক্ষক হুগো সৌজাকে।
সেন্টার ব্যাক পজিশনের নেতৃত্ব দিবেন মার্কুইনহস। চ্যাম্পিয়নস লীগের সেরা একাদশে ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান।
পিএসজির হয়ে ব্যাক্তিগত ও দলগতভাবে বেশ ছন্দে আছেন এই সেন্টার ব্যাক। মার্কুইনহসের সাথে কে জুটি বাধবেন তা নিয়ে আছে প্রশ্ন।
সে পজিশনে বেরালদো, লিও অর্তিজরা আছেন। তবে লিও এর আলেক্স সান্দ্রো রিবেইরা আছেন ফর্মে।
একই সাথে তার উচ্চতা ও ফিজিক্যালিটি কাজে লাগবে ইকুয়েডরের মত দলের বিপক্ষে।
রাইট ব্যাকে ওয়েসলি প্রমাণ করেছেন। তবে এখনও তার থেকে দলে সুযোগের দৌড়ে এগিয়ে থাকবেন ভ্যান্ডারসন।
লেফট ব্যাক পজিশনে লড়াই হবে ফ্লামেঙ্গোর আলেক্স সান্দ্রো ও ইন্টার মিলানের কার্লোস আগস্তের মাঝে।
লেফট সাইডে ভিনিকে সাহায্য করতে চাইবেন কার্লো। তাই আক্রমণভাগে এগিয়ে থাকা আগস্তকেই শুরুর একাদশে রাখতে চাইবেন তিনি।
আগের কোচের আমলে দলে ছিল ২ মিডফিল্ড। তবে এবার ৪ মিডফিল্ড নিয়ে মাঠে নামতে পারেন কোচ আনচেলত্তি।
সেক্ষেত্রে দলে দুই ধারাবাহিক মুখ ব্রুনো গিমারেজ ও গার্সন থাকবেন। গিমারেজ ক্লাব ও জাতীয় দলে দলের সেরা মিডফিল্ডার।
আর সাবেক কোচের আমলে বড় প্রাপ্তি ফ্লেমেঙ্গোর গার্সন।
এই দুইজনের সাথে একাদশে থাকবেন ক্যাসিমিরো হেনরিক। সেক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভ রোলে খেলার সুযোগ পাবেন ব্রুনো গিমারেজ ও গার্সন।
মাঝমাঠে বাড়বে আরো নিয়ন্ত্রণ। এদের সাথে এটাকিং মিডে আন্দ্রেস পেরেইরাকে নিলে ভারসাম্যপুর্ণ ও শক্তিশালী মিড নিয়ে মাঠে নামবে ব্রাজিল দল।
৪-৪-২ ফরমেশনে লেফটে খেলবেন ভিনিসিয়াস। এই পজিশনে খেলে ভিনি কি করতে পারেন, তা প্রমাণ করেছেন গত মৌসুমে।
এই পজিশনে রিয়াল মাদ্রিদকে লা লীগা, চ্যাম্পিয়নস লীগ জিতিয়েছেন। ব্যালন ডি অরের জয়ের ছিলেন প্রায় কাছাকাছি।
আবারো এই পজিশনে জাতীয় দলে মেলে ধরতে প্রস্তত তিনি। আর তার সাথে রাফিনহা থাকতেন মুল একাদশে, যদি তিনি থাকতেন পুর্ণ ফিট।
তবে তিনি না থাকায় দলে আসবেন ম্যাথুইস কুনহা। এই পজিশনে অবশ্য এন্থনিকেও সুযোগ দিতে পারেন কোচ।
সব মিলিয়ে সম্ভাব্য এই একাদশ নিয়ে ৬ তারিখ ইকুয়েডরের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল দল।




