প্রথমবারের মত ৪৮ দল নিয়ে হবে বিশ্বকাপ। প্রতি মহাদেশ থেকেই বাড়বে অংশগ্রহণকারী দেশের সং্খ্যা।
৩ দেশে হওয়া বিশ্বকাপকে ঘিরে এর মাঝে তৈরি হয়েছে উন্মাদন। কেননা বিশ্বকাপের যে নেই এক বছর সময়।
যে কারণে আগামী বিশ্বকাপকে ঘিরে সম্ভাবনা আলোচনা শুরু হয়েছে আগেই।
আর সেখানেই আলোচনা আগামী বিশ্বকাপে কারা মাঠে নামবে ফেভারিট হিসেবে
তালিকার সেরা পাচে আবশ্যিকভাবেই আসবে আর্জেন্টিনার নাম। আলভিসেলেস্তারা গত আসরের চ্যাম্পিয়ন।
বর্তমান র্যাংকিংএও সেরা দল আর্জেন্টিনা। স্কালোনির দল যেন বর্তমানে এক সুখী পরিবার।
লিওনেল মেসির সাথে আলভারেজ, লাউতারো, এমি, এঞ্জো, এলিস্টারদের পারফরম্যান্স আর্জেন্টিনার আশার পালে হাওয়া দিচ্ছে।
বিশেষ করে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লাতিন অঞ্চলে টেবিলে শীর্ষে তো আছেই আর্জেন্টিনা, পয়েন্টে অন্যদের থেকে আছে ঢের এগিয়ে।
আর্জেন্টিনার পর এই তালিকায় ফেভারিট হিসেবে থাকবে পর্তুগাল। কিছুদিন আগে ন্যাশনস লীগ জয় করে পর্তুগাল জানিয়ে দেয় নিজেদের যোগ্যতা।
গোলরক্ষক কস্তা পেনাল্টিতে সেরা, ফুলব্যাকে নুনো মেন্ডেস দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মাঠ। মাঝমাঠে আছে ভিতিনহা, নেভেস, ব্রুনো, সিলভাদের মত খেলোয়াড়। এর সাথে এখনও নিয়মিত গোল করে যাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
সবকিছু মিলিয়ে প্রথমবার শিরোপার দিকে নজর রাখতেই পারে রবার্তো মার্টিনেজের দলটি।
ন্যাশনস লীগ ফাইনাল হারলেও স্পেনকে নিয়ে বাজি ধরতে পারে যে কেউ। মাঝমাঠে পেদ্রি, রদ্রি, জুবেমেন্ডি সহ আরো বড় বড় তারকা।
সেন্টার ব্যাকে অপশন অনেক, গোলরক্ষক পজিশনে সিমন রায়া দুইজনই বিশ্বসেরা।
আর উইঙে নিকো-লামিন জুটি তো বিশ্বের সেরা উইঙ জুটির তালিকায় থাকবে। স্পেন দল আছেও বেশ ফর্মে।
সব মিলিয়ে আগামী আসরে ফেবারিটের তালিকায় সেরা পাচে থাকবে স্পেন।
তালিকার চারে থাকবে দিদিয়ের দেশামের ফ্রাঞ্চ। টানা দুই বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা ফ্রাঞ্চের আবারো ঐ মঞ্চে যাওয়ার হাতছানি থাকবে।
ডেম্বেলে, এমবাপ্পেরা ফর্মে আছেন, দলে আছেন আলোচনায় থাকা চেরকি, ডুয়োর মত খেলোয়াড়। এর বাইরে সেন্টার ব্যাক পজিশনে বেশ সমৃদ্ধ দল।
মাঝমাঠেও শুয়েমিনি, কামাভিঙ্গারা আছেন ফ্রাঞ্চ দলে। সব মিলিয়ে ফ্রাঞ্চকেও রাখা যায় সেরা পাচে।
বিশ্বকাপে টপ ফেভারিটের তালিকায় পাচে থাকবে ব্রাজিলের নাম। শেষ ৩ বছরে ফর্ম ভালো নেই সেলেসাওদের।
কিন্ত কার্লো আসার পর ব্রাজিলের পরিবর্তন চোখে পড়ার মত। আর যেকোন আসর থেকে ব্রাজিলকে চাইলেই ফেবারিট থেকে বের করা যায়না।
ব্রাজিল দল নিজ যোগ্যতাগুণে প্রমাণ করে নিজেদেরকে। এর মাঝে উইঙ ও ডিফেন্সে ব্রাজিল নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে।
মাঝমাঠও কার্লো গুছিয়ে নিচ্ছেন। একবার ভালো মানের স্ট্রাইকার পাওয়া গেলে এই ব্রাজিলকে থামানো বেশ অপ্রতিরোধ্যই হবে।
এবার দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোন দলের হাতে উঠে বিশ্বকাপ শিরোপা।




