নিজের মেয়ের ভেঙে গিয়েছে পা। কিনা বাবার জিনটাই পেলেন নেইমার কণ্যা।
আর সেখানে মেয়ের জন্য আদর্শ বাবা বনে যান নেইমার জুনিয়র। মেয়েকে নিয়ে যান ঘুড়তে, কণ্যা মাভির সাথে কাটান সময়। যেন ফুটবলের বাইরে এক আদর্শ পিতা নেইমার জুনিয়র।
তবে এইসব করে ফুটবলকে ভুলে যাননি নেইমার। বরং নিজের গোলটা এখনও মনে রেখেছেন নেইমার।
নেইমারের মাথায় এখনও আছে বিশ্বকাপ ভাবনা। যে কারণে এবার একা একা অনুশীলনে চলে আসলেন নেইমার।
উদ্দেশ্য যে ইঞ্জুরি থেকে সেরে উঠা, তাতে সন্দেহ নেই।
কোচ কার্লো নেইমারকে বেঞ্চমার্ক নির্ধারণ করে দেন, ফিটনেস ঠিক রাখতে না পারলে জাতীয় দলে হবেনা জায়গা।
সম্পুর্ণ ফিট হয়েই আসতে হবে দলে। ইঞ্জুরি নেইমারকে ভুগিয়েছে আগেও, সেখানে নেইমারের নিজেরও নেই হাত।
তবুও নিজের দিক থেকে যেটুকু করা যায়, সেই ফিটনেসে মনযোগ দিয়েছেন নেইমার।
দলের সাথে অনুশীলনের সুযোগ নেই, সেই অবস্থায় যাননি নেইমার। তবে একা একা বসে থাকতেও চাননি এই তারকা।
যে কারণে বেছে নিলেন ফেরার পথ। এর মাঝে তাই জিমে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়ার। তাকে হিপ, লেগ, কোয়াটস এর ট্রেনিং করতে দেখা গেছে জিমে।
এছাড়া কাফ মাসেলের অনুশীলন করতেও দেখা গেছে নেইমিকে সেখানে স্কোয়াট, লেগ এক্সটেনশন, কাফ এক্সারসাইজ সহ নানা এক্সারসাইজ করতে দেখা যায় নেইমিকে।
এমনকি শোল্ডারের জন্যও অনুশীলন করেন নেইমি, যাতে শারীরিকভাবে হওয়া যায় আরো ফিট।
বর্তমানে থাই ইঞ্জুরিতে আছেন নেইমার জুনিয়র। যেটায় তার সেরে উঠতে নভেম্বর পর্যন্ত সময় লাগবে।
প্রায় দুই মাসের ইঞ্জুরির টাইম নেইমারের। এই সময়ে কাফ ও লেগের অনুশীলন করা মোটেও সহজ নয়, বরং যে কারো জন্য ব্যাথাদায়ক হবে এটা৷ তবুও নেইমার এটা করছেন।
কারণ কোটি কোটি ব্রাজিল ভক্তরা বসে আছেন, নেইমার ফিরবেন, তাকে নিয়ে বিশ্বকাপে যাবে সেলেসাওরা।
নেইমারের জাদুতে বিশ্বকাপ মাতাবে ব্রাজিল। ভক্তদের ভিতরের সেই পালস বুঝতে পেরেই নেইমার ফিরেন অনুশীলনে।
লুকাকু তো বলেই দিয়েছেন, নেইমার একজন যোদ্ধা। তার মত ইঞ্জুরি হলে অনেক আগে অবসর নিতেন তিনি।
তবে নেইমার শক্ত মনের মানুষ। সেই মানসিক দৃড়তা নেইমারের সামগ্রিক শক্তি বৃদ্ধি করুক, এটাই চাওয়া থাকবে ভক্তদের।
কেননা ফুল ফিট নেইমার বদলে দিতে পারেন দলের চিত্র। একই সাথে তার আত্মবিশ্বাসী থাকবেন ব্রাজিল ভক্তরাও৷




