আগের দিনের সেইম একাদশ নিয়ে মাঠে নামে উইন্ডিজ ও বাংলাদেশ দুই দল।
এদিন বোলিংএ এসে শুরুর অভারেই অস্বাভাবিক টার্ন আদায় করেন আকিল হোসেন।
মনে হচ্ছিল আগের দিনের থেকেও বল এদিন বেশি টার্ন করবে, এদিন হবে আরো বেশি বোলিং সহায়ক পিচ।
তবে সেইসবকে তুড়ি মারলো ওপেনিং জুটি। বিশেষ করে উইন্ডিজের বোলারদের মেরে একের পর এক বাউন্ডারি ছাড়া করলেন দলে ফেরা সৌম্য সরকার
আগের ম্যাচেও দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন, তবে দল হারার পর তার ইনিংস নিয়ে ছিল সমালোচনা।
যদিও তার ৪৫ রানের ইনিংস দলের ভিত্তি এনে দেয়।
তবে এদিন আর কোন সমালোচনার জায়গা রাখেননি সৌম্য৷ র্যাংক টার্নার পিচে ওপেনিংএ নেমে সৌম্য করেন ১০৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট। ৮৬ বলে খেলেন ৯১ রানের ইনিংস, যেখানে ৭ টি চার ছিল, ছিল ৪ টি অভার বাউন্ডারি।
ইনিংসে প্রায় সব ধরণের শটই খেলেছেন সৌম্য। কখনও সুইপ, কখনও ফ্লিক, কখনও লেট কাট।
আবার নিজের প্রিয় রিভার্সে বল বাউন্ডারি ছাড়া করতেও ছাড়েননি।
আকিল হোসেন, চেজ বা ক্রেভস, কেউই ছাড় পায়নি সৌম্যের হাত থেকে৷ একের পর এক শট হাকান।
অপরদিকে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন সাইফ হাসান। তাতে এক ম্যাচ আগেও মনে হচ্ছিল ব্যাটিং ভুলে গেছে বাংলাদেশ দল।
তবে এই ম্যাচে সৌম্য সাইফ দেখান নিজেদের প্রতিভা। তাতে আরো একবার ওপেনিংএ শতরানের পার্টনারশিপ আসে বাংলাদেশের।
শেষ পর্যন্ত যে পার্টনারশিপ দাঁড়ায় ১৭৬ রান পর্যন্ত৷ দলীয় ২৯ তম অভারে আকিল হোসেনের বলে এথেন্সকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সৌম্য, ততক্ষণে রিদম পেয়ে গেছিল বাংলাদেশ দল।
এমন সৌম্যকেই আসলেই চায় বাংলাদেশ দল৷ এক সিরিজ আগে ওপেনিংএ নেমে ভালো করেছিলেন, তবুও বাদ পড়েন দল থেকে।
সেখান থেকে পারফর্ম করে আবারো দলে ফেরেন। তবে শুরুর ম্যাচে পারফর্ম করতে না পারায় সেখানে ছিল সমালোচনা। সেই সমালোচনার জবাব পরের ম্যাচেই। এরপরের ম্যাচে তো নিয়ে আসেন পুরোনো সৌম্যকেই৷ সৌম্যের মত ব্যাটসম্যান ফর্মে থাকলে কি করতে পারেন, সেটা জানা সবারই। সেখানে আবারো প্রত্যাশা, ফিরে আসুক পুরোনো সৌম্য, ধরুক দলের হাল।




