ম্যাচের আগে অধিনায়ক লিটন দাস করেন প্রশংসা, বলেন তানজিদ নিজের দিনে হতে পারেন ভয়ঙ্কর।
আগের ম্যাচে ভালো করেছেন, এর সাথে অধিনায়কের কথায় পেয়েছেন আত্মবিশ্বাস।
সবকিছু মিলিয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচেও নিজেকে মেলে ধরলেন তানজিদ তামিম। উইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে আবারো দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তানজিদ তামিম।
আগের ম্যাচে টি২০ তে তামিম ইকবালের অর্ধ শতকের রেকর্ডকে ভেঙেছেন। এই ম্যাচে যেন নিজের রেকর্ড নিজে ভাঙলেন তামিম।
অথচ তামিমের টি২০ ক্যারিয়ারের বয়স হয়নি দুই বছর। এর মাঝে মাত্র ৪২ ম্যাচে তুলে নেন ১০ অর্ধ শতক।
যেভাবে খেলে যাচ্ছেন, তাতে ক্যারিয়ার শেষে হতে পারবেন বাংলাদেশের ইতিহাস সেরা। অন্তত ২০ অভারের এই ফরম্যাটে সেরা হবার পথেই আছেন তানজিদ তামিম, ঘষামাজা করলে সেরা হতে পারবেন সাদা বলের ক্রিকেটে সেরাদের একজন।
এদিন ব্যাটিংএ পুরোনো পার্টনার ইমনকে পান তামিম। এরপর তাকে নিয়ে শুরুতে চড়াও হন বোলারদের উপর।
যদিও একাধিকবার সুযোগ পান তামিম। একবার তাকে আউট দিয়েও দেয় আম্পায়ার, রিভিউ নিয়ে বেচে যান।
এর বাইরে তার ক্যাচ ড্রপ হয়। তবে ভালো খেলোয়াড় সেই যে সুযোগের সৎ ব্যাবহার করে। তানজিদ করলেন সেটাই।
শুরুতে বাউন্ডারি হাকালেন, মাঝে কিছুটা ধরে খেললেন। তবে সুযোগ পেয়ে আবারো রানের খাতা বাড়িয়ে নিলেন।
শুরুর ৩০ করতে সময় নেন, তবে সেখান থেকে দ্রুত চলে যান ৫০ এ। প্রতিপক্ষের বাহাতি বোলারদের বিপক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেন তামিম৷ এর বাইরে পেসারদের হাকাতেও করেননি কার্পণ্য। বরাবরই নানা শটের বাহার থাকে তামিমের ব্যাটে। এদিনও হলো না তার ব্যাতিক্রম।
সুইপ, ডাউন দ্যা গ্রাউন্ড, পুল, কাভারের উপর দিয়ে ছয় সবই মেরেছেন তামিম। যদিও অন্য প্রান্তে তেমন সহযোগীতা পাননি এই ব্যাটসম্যান, তবে একাই লড়ে গেছেন ব্যাট হাতে।
শুরু থেকে নেমে তামিম একা খেলে গেছেন শেষ পর্যন্ত। শেষ ওভারে ফিরে গেছেন, শতক থেকে ১১ রান দূরে।
অন্যদের ব্যার্থতায় নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি, শেফার্ডের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তবে তাতে কাজের কাজটা করে যান তিনি। অন্য ব্যাটসম্যানরা রান না পেলেও তামিমের কল্যাণে চ্যালেঞ্জ জানানোর মত সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
তবে এরপরও সেঞ্চুরির আক্ষেপটা ভালোভাবেই থাকবে এই ব্যাটসম্যানের। সে আক্ষেপ থেকেই আগামী দিনে নিজেকে আরো ক্ষুরধার করতে চাবেন তিনি, আগামী দিনে তার দিকে বড় আকারেই চেয়ে থাকবে টাইগার ভক্তরা৷




