জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পি আসিফ আকবর দেশের মুখে পরিচিত এক নাম। সেই আসিফ এসেছেন বিসিবির দায়িত্বে, প্রথমবারের মত।
বিসিবির নতুন বোর্ডে আসিফের কাজ বয়সভিত্তিক দল নিয়ে। এর আগে নিজেও ক্রিকেট খেলেছেন আসিফ, তবে এবারই প্রথম ক্রিকেট নিয়ে কাজ করা তার। বিসিবির প্রথম বোর্ড সভায় অবশ্য আসিফ নয়, নজর কেড়েছেন অন্য একজন। তিনি বিসিবির নারী পরিচালক রুবাবা দৌলা।
সবার আকর্ষণ কারা এই নারীর যোগ্যতা অবশ্য অনেকের অজানা। আবার অনেকে তার বিসিবিতে কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তবে রুবাবা দৌলা জায়গাটা পেয়েছেন নিজের যোগ্যতা বলেই।
ক্রিকেটে নতুন হলেও রুবাবা দৌলা খেলাধুলার অঙ্গনে পুরোনো মুখ।
এর আগে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্যাডমিন্টন বোর্ডের সভাপতি ছিলেন রুবাবা দৌলা। এছাড়া স্পেশাল অলিম্পিকের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে নারী ক্রিড়া সংগঠক হিসেবে তার ভালোই সুনাম আছে।
তবে রুবাবা দৌলার কর্পোরেট জগৎএ আছে বড় নাম। এর আগে গ্রামীনফোনের মত কোম্পানির বড় দায়িত্বে ছিলেন।
ছিলেন অরাকলের কান্ট্রি ডিরেক্টর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ, এম্বিএ করেছেন, এরপর স্টকহোম স্কুল অফ ইকোনমিক্স লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে করেছেন পড়াশুনা। কিন্ত সেখান থেকে বিসিবির পরিচালক হলেন কিভাবে তিনি?
মুলত এনসিসি থেকে নিযুক্ত করা হয় রুবাবা দৌলাকে। এনসিসি থেকে মুলত ২ জনকে নিয়োগ দেওয়া যায় বিসিবির পরিচালক পদে।
আর সেখানেই রুবাবা দৌলে এসেছেন বোর্ডে। যদিও শুরু থেকেই দায়িত্বে ছিলেন না তিনি।
চলতি বছরের ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচনের পর এনএসসি যাদের মনোনয়ন দিয়েছিল, তাদের একজন ইসফাক আহসানকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। আজকের এনএসসির চিঠিতে জানানো হয়, ইসফাক আহসান পদত্যাগ করায় তার স্থলেই রুবাবাকে মনোনীত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রুবাবার কর্মস্থলের কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় তিনি এত দিন দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। এর বাইরে এনসিসি থেকে ফয়সাল আশিককে দেওয়া হয় বোর্ড পরিচালকের দায়িত্ব।
সব মিলিয়ে এর আগে কর্পোরেট জগৎএ সফলতা পেয়েছেন রুবাবা। বিসিবি চাইবে সেই সফলতা রুবাবা কাজে লাগাবেন ক্রিকেটে।
সেক্ষেত্রে মার্কেটিং বা এইসব অঙ্গনে বিসিবির কাজে আসতে পারেন রুবাবা। আধুনিক ক্রিকেটে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর রুবাবার উপস্থিতিতে ক্রিকেটে ভালো কিছু হোক, এটাই প্রত্যাশা থাকবে সবার।




