শুরুর ম্যাচে হার, এরপর দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে ফেরা সিরিজে। আইরিশদের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তনটা দারুণই হয়েছে।
তবে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচটাতেও বাংলাদেশের থাকবে আক্ষেপ। বিশেষ করে মিডল অর্ডারে সোহানের ব্যাটিং ভক্তদের বিরক্তির উদ্রেগ করেছে, দিয়েছিল শঙ্কা। আর সেখানেই প্রশ্ন পরের ম্যাচে একাদশে পরিবর্তন নিয়ে।
প্রথম ম্যাচে খেলা জাকেরের বদলে দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ আসে নুরুল হাসান সোহান। এদিন সোহানের জন্য মঞ্চ ছিল প্রস্তত।
যখন মাঠে নামেন তখন ২৭ বলে ৩১ রান দরকার বাংলাদেশের, হাতে ৬ উইকেট। সাইফ লিটনরা ম্যাচ হাতে এনেছেন, ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ দিলেই ম্যাচজয় বাংলাদেশের। তবে সেই সহজ কাজটাই করতে পারেননি সোহান। উলটো ফিরে গেছেন ৭ বলে ৫ করে বোল্ড হয়ে।
যখন ফিরেছেন তখন ১০ বলে ১৪ দরকার বাংলাদেশের, হাতে ৪ উইকেট। আগের অভারে সাইফুদ্দিন ২ বলে ৬ না করলে রানের সমীকরণ ছিল ১৪ বলে ২২ রানে।
অর্থ্যাৎ নিজে নামার পর পার্টনারশিপে করেছিলেন ১৩ বলে মাত্র ৯ রান। আর তাতে ম্যাচ হারের শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশের।
এমন পারফর্ম করে সোহান আবারো দলে থাকবেন কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন দাড়িয়েছে
আর সেখানেই জায়গা উন্মুক্ত হতে পারে শামীমের। লিটন দাস শামীমের অন্তভূক্ত নিয়ে সিরিজ শুরুর আগে কথা বলেছেন।
শামীমের মত একজনকে বাংলাদেশ দলে দরকার যেকোন সময়। মিডল অর্ডারে বাহাতি খেলোয়াড় নেই, বাহাতি বোলার হামফ্রিস ভোগাচ্ছেন দলকে।
এর সাথে মিস্ট্রি স্পিনে হিমশিম খাচ্ছেন ডানহাতি ব্যাটাররা। সেখানে শামীমের পারফর্মেঞ্চ অন্যদের চেয়ে ভালো।
যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মে নেই শামীম, তবুও মিডল অর্ডারে স্পিনে শামীম সোহান, জাকেরদের চেয়ে যেকোন দিনেই ভালো অপশন।
আর সে কারণে আইরিশদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে শামীম পেতে পারেন সুযোগ। আরো এক কারণে সুযোগ আসতে পারে পাটোয়ারীর।
সোহান, জাকের, শামীম থেকে এক বা একাধিক খেলোয়াড় বিশ্বকাপে যাবেন, এটা নিশ্চিত। আর সেখানে জাকের ও সোহান সুযোগ পেয়েছেন প্রথম দুই ম্যাচে।
বিশ্বকাপের আগে নেই বাংলাদেশের সিরিজ। এরপর বিপিএল খেলে বিশ্বকাপের জন্য রওনা দেবে বাংলাদেশ।
সেখানেই শামীমকে এক ম্যাচ বাজিয়ে দেখতেই পারে বাংলাদেশ। যে ম্যাচে পারফর্মেঞ্চ শামীমকে এগিয়ে রাখবে, আবার খারাপ করলেও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন নির্বাচকরা।
সব মিলিয়েই পরের ম্যাচে সুযোগে এগিয়ে শামীম। তবে বিশ্বকাপের প্লানে সোহান থাকলে তাকে আর একটা সুযোগ দিতেই পারেন টিম ম্যানেজমেন্ট।




