৬ দলের নিলাম শেষ হয়েছে, এখনও চুড়ান্ত হয়নি বিদেশী নেওয়ার তালিকা। এমনকি নিলামে খেলোয়াড় সংগ্রহ নিয়েও আছে সমালোচনা।
তবে একটা জায়গায় সব দলই চমক দেখিয়েছে। আর সেটা ওপেনার সংগ্রহে। বিপিএলের মঞ্চে ৬ দলেই আছে ভালো মানের ওপেনিং সম্ভাবনা।
তবে তার মাঝে কেউ বেশি এগিয়ে থাকবেন, কেউ থাকবেন হালকা পিছিয়ে।
সর্বশেষ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে অর্ধশতক তানজিদ তামিমের, দেশের ক্রিকেটে টি২০ এর অন্যতম সেরা ব্যাটার তিনি।
ক্লাসিক এই ব্যাটারের সাথে ওপেনিংএ ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপে অর্ধশতক করা শাহাবজাদা ফারহান, যিনিও ব্যাট হাতে হতে পারেন তলোয়ারের মত ধারালো।
অপরদিকে সিলেট নিয়েছে জাতীয় দলের আরেক ওপেনার পারভেজ ইমনকে, যাকে সঙ্গ দিবেন পাকিস্তানি ক্লাসিক ব্যাটার স্যাম আয়ুব। এই দুইজন ফর্মে থাকলে শুরুর দিকে করতে পারবেন দ্রুত নাম।
একদিকে হাবিবুর রহমান সোহানের মত এক্সপ্লোসিভ ব্যাটসম্যান, আরেকদিকের উইন্ডিজের জনসন চার্লস।
লাগলে বাড়ি বাউন্ডারিই ছাড়া হবে নোয়াখালীর ওপেনিং। মেন্ডিস, সৌম্যের মত খেলোয়াড় এই জায়গাকে করবে আরো মজবুদ।
অপরদিক ক্লাস, শট ও বড় ইনিংস খেলার দক্ষতা, ঢাকার ওপেনিং হতে পারে তাদের দলের ভিত্তি। দেশী ব্যাটার সাইফ হাসানকে সরাসরি দলে নিয়েছে ঢাকা, এর সাথে আছেন এলেক্স হেলসের মত প্রোফাইলের ব্যাটার।
বিপিএলের দামী পিক নাইম চট্টগ্রামের ওপেনিংএ থাকবে। সাথে থাকবেন মাহমুদুল জয় বা মাহফিজুল রবিনের কেউ।
এই জুটি পিছিয়ে থাকবে অন্য জুটির থেকে। তবে অন্য জুটিগুলাকে আগে পিছে করার তেমন সুযোগ নেই। দেশী পাওয়ার হিটার সাথে বিদেশী পরীক্ষিত মুখ, বিপিএলে এইসব ওপেনারদের দেখতেই যেন খেলামুখী হবেন অনেক দর্শক।
এরপরও সেরার বিচারে ঢাকা কিছুটা এগিয়ে থাকবে। কেননা সাইফ ও হেলস বড় ইনিংস খেলতে পারেন, হেলসের মানটাও অনেক বড়।
।গত বিপিএলে একসাথে বড় জুটি করেছেন তারা। এরপর নোয়াখালীর দিকে নজর থাকবেন, ইমার্জিং এশিয়া কাপ খেলা সোহানের সাথে একবার চার্লস ফর্ম ফিরে পেলে এরাই যেকোন বোলিং এর বিপক্ষে হবেন যথেষ্ট।
সিলেট রাজশাহীকে পিছানোর সুযোগ নেই, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জাতীয় দলের ওপেনারদের একই সাথে মিলনমেলা বিপিএলের প্রেক্ষাপটে দারুণই।
তাই কে এগিয়ে আর কে পিছিয়ে তা প্রমাণ হবে মাঠের ক্রিকেটে। তবে অন্যসব ডিপার্টমেন্ট নজর না কাড়লেও বিপিএলে ওপেনিং জুটি নিয়ে সবারই যে আগ্রহ থাকবে, তাতে নেই সন্দেহ।




