৪ দলের বিপিএল হবে, এরকম শঙ্কাও ছিল। চট্টগ্রাম সহ নানা ইস্যুতে বিপিএলের জনপ্রিয়তা কমার আশঙ্কাও ছিল।
তবে দাগ থেকেই আসে দারুণ কিছু। বিপিএলে চট্টগ্রাম দল নিয়ে ধোয়াশা বিপিএলে এনেছে নোয়াখালীর মত দলকে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই জেলাটি বিপিএলে আসার পর বিপিএল পেয়েছে অন্যমাত্রা।
এর মাঝে নোয়াখালীতে এসেছে দেশী বিদেশী অনেক তারকা। দলটির লাইনআপ বেশ শক্তিশালী, এখনও অনেককে দলে ভেড়াচ্ছে তারা।
দলের মালিকও জোড় দিয়ে বলেছেন তারকা বিদেশী নেওয়ার ব্যাপারে। এর বাইরে নোয়াখালীর মানুষ এমনিতেই খেলাপ্রেমী।
প্রথমবারের মত বিপিএলে নিজেদের ফ্রাঞ্চাইজী দেখায় সেই প্রেমটা আছে অনেক।
তার প্রমাণ মেলে নোয়াখালীর পেজেও। মাত্র এক জেলার দল হলেও ফলোয়ার্সে চট্টগ্রাম, রাজশাহীকে পিছনে ফেলেছে তারা।
বিপিএলের তাদের নিয়ে করা পোষ্টেও তাদের পাওয়া যায় উল্লেখযোগ্য সারা। সব মিলিয়ে বিপিএলের এবারের আসরের প্রাণ নোয়াখালী।
কিন্ত নোয়াখালী কি এই জনপ্রিয়তায় হারাতে পারবে বরিশালকে? না এবারের আসরে বরিশাল ফ্রাঞ্চাইজী নেই, কিন্ত বিপিএলের সামগ্রিক ইম্প্যাক্টে বরিশাল না থেকেও আছে আলোচনায়।
৩ বারের রানারআপ, ২ বারের চ্যাম্পিয়ন। গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন, বিপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। দলে এসেছে বড় বড় অনেক তারকা। গেইল থেকে মিলার সবাই পড়েছে বরিশালের জার্সি।
এর বাইরে ঢাকা বা সিলেটে যতবারই হয়েছে বরিশালের খেলা, মাঠে দেখা গেছে উপচে পড়া ভীর।
গত আসরের পর শিরোপা নিয়ে বরিশালে আসে ফ্রাঞ্চাইজীটি। সেখানে যেন তাদেরকে দেখতে অচল হয়ে যায় পুরো বরিশাল, অথচ শহরটা একদম শান্ত, নিরিবিলি।
যেখানে দর্শক চাপ সামলাতে না পেরে আয়োজকরা চলে যায় তাড়াতাড়ি। জনপ্রিয়তায় বরিশাল নিজেকে নিয়ে গেছে অন্যমাত্রায়।
যদিও বরিশালে দেখা যেতো বরিশাল নোয়াখালী লড়াই, যদি দুই দলের ফ্যানবেজের মাঝে থাকত মুখোমুখি যুদ্ধ তবে যেন বিপিএলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেত আরো। তবে অতীতে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির কাজ করেছে বরিশাল, এবার সেই দায়িত্ব নোয়াখালী।
আপাতত বরিশাল আছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তাদের পারি দিতে পথ পারি দিতে হবে নোয়াখালীকে। তবে সে পথের সামনেই দাঁড়িয়ে আছে দ্বীপপারের দলটি।




